এক মাসের সর্বোচ্চ দাম স্পর্শ করেছে মালয়েশিয়ান পাম অয়েল। মূলত বৈশ্বিক বাজারে নতুন করে সরবরাহ ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় এমনটা দেখা যায়। সম্প্রতি আর্জেন্টিনায় ট্রাকচালকদের ধর্মঘটের ফলে ভোজ্যতেলের বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ সংকট ঝুঁকি তৈরি করে, যা এরই মধ্যে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে অস্থির হয়ে আছে। জুনে সরবরাহের জন্য গতকাল বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে পাম অয়েলের বাজার আদর্শ বেড়েছে ২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ বা ১২৮ রিঙ্গিত। এ সময় প্রতি টন মালয় পাম অয়েলের দাম দাঁড়ায় ৬ হাজার ৪১৬ রিঙ্গিত (১ হাজার ৫১৬ ডলার ৭ সেন্ট)। চলতি সপ্তাহে পাম অয়েলের দাম বেড়েছে প্রায় ৮ দশমিক ৪ শতাংশ। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
উৎস ও গন্তব্যের জটিলতার কারণে উদ্ভিজ্জ তেল ও শস্যের প্রাপ্যতা সংকট সামগ্রিকভাবে বেড়েছে। এসব ক্ষেত্রে কাঠামোগত চাহিদা সংকট ও সরবরাহ সংকোচনের ভূমিকাও রয়েছে বলে মন্তব্য করেন কুয়ালালামপুরে অবস্থিত ফিলিপ ফিউচারের ইনস্টিটিউশনাল সেলস ম্যানেজার অ্যান্ড ব্রোকার মার্সেলো কুলত্রেরা।
মার্চে ভারতের পাম অয়েল আমদানির পরিমাণ ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ বাড়ে। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সূর্যমুখী তেলের নিরাপদ বিকল্প হিসেবে ব্যবসায়ীরা পাম অয়েলের দিকে ঝুঁকে পড়ায় এমন দৃশ্য দেখা যায়।
শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে দশমিক ৪ শতাংশ। এক রাতের মধ্যেই ভোজ্যপণ্যটির মোট দাম বাড়ে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে ডালিয়ান মার্কেটে সবচেয়ে বেশি বিক্রীত হওয়া সয়াবিন তেলের চুক্তিমূল্য বেড়েছে ১ শতাংশ, একই সময়ে পাম অয়েলের চুক্তিমূল্য বেড়েছে ২ দশমিক ৮ শতাংশ।










