দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি দিন দিন কমতে শুরু করেছে। এদিকে বন্দর দিয়ে পণ্যের আমদানি কমায় সরকারের রাজস্ব আহরণ কমার পাশাপাশি বন্দরের আয় কমেছে। সেইসঙ্গে বিপাকে পড়েছেন বন্দরে কর্মরত শ্রমিকরা।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দরে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৫ হাজার ৬৯২টি ট্রাকে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫০ টন পণ্য ভারত থেকে আমদানি হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে আমদানির পরিমাণ কমে ৩ হাজার ৫৩টি ট্রাকে ১ লাখ ১ হাজার ১২০ টন পণ্য আমদানি হয়েছে এবং মার্চে ৩ হাজার ৬৯৫টি ট্রাকে ১ লাখ ২৩ হাজার ৩৫১ টন বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ব্যাংকগুলো চাহিদামাফিক এলসি না দেয়ার বিষয় তো রয়েছে। এছাড়া ভারতের বাজারে যে পণ্যের দাম রয়েছে তাতে করে বাড়তি ডলার মূল্যে সেই পণ্য আমদানি করে দেশের বাজারে যে দাম বাড়ছে, তার চেয়ে দেশীয় পণ্যের দাম কম রয়েছে। এ কারণেও আমদানিকারকরা পণ্য আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্দর দিয়ে দিন দিন পণ্য আমদানির পরিমাণ কমেছে। জানুয়ারিতে বন্দর দিয়ে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি হয়েছিল, সেই তুলনায় ফেব্রুয়ারি ও মার্চে তা কমে তিনভাগের একভাগে নেমে এসেছে। চলতি এপ্রিলেও পণ্য আমদানির ধারা একই রকম রয়েছে।
হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের উপকমিশনার বায়জিদ হোসেন বলেন, ‘গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে (জুলাই-মার্চ) বন্দর দিয়ে সাড়ে চার লাখ টন পণ্য কম আমদানি হয়েছে।









