গত বুধবার বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খানকে দেয়া এক চিঠিতে এ কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান।
চিঠিতে বলা হয়, ডিসিটিএস নিয়ে সম্প্রতি রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে হওয়া আলোচনার ভিত্তিতে যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশের রফতানিকারকদের প্রবেশাধিকার অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে ডিসিটিএসের আওতায় যুক্তরাজ্যে রফতানি করা বাংলাদেশের ৯৯ দশমিক ৮ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর তিন বছরের একটি পরিবর্তনকালীন সময় থাকবে। এ সময়ে যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার অপরিবর্তিত থাকবে। এরপর বাংলাদেশ সরাসরি ডিসিটিএসের ‘এনহ্যান্সড প্রেফারেন্সেস’ স্তরে প্রবেশ করবে। এ স্তরে ৯২ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্তভাবে যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রবেশের যোগ্য হবে।
চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশের পোশাক খাতের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে ইতিবাচক। ‘এনহ্যান্সড প্রেফারেন্সেস’-এর আওতায় পোশাকের বাজার প্রবেশাধিকার অপরিবর্তিত থাকবে। যুক্তরাজ্যের হালনাগাদ ‘রুলস অব অরিজিন’-এর ফলে পোশাক রফতানিকারকদের জন্য বর্তমানে প্রযোজ্য নিয়মই বহাল থাকবে। এর মধ্যে ডাবল ট্রান্সফরমেশনের কোনো বাধ্যবাধকতাও থাকছে না। এছাড়া অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা বজায় রেখেই বিভিন্ন দেশ থেকে কাঁচামাল ও উপকরণ সংগ্রহের ক্ষেত্রে রফতানিকারকদের আরো বেশি নমনীয়তা দেয়া হয়েছে বলে চিঠিতে জানানো হয়। ডিসিটিএস সম্পর্কে রফতানিকারক ও বাণিজ্যসংশ্লিষ্টদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে আগামী মাসগুলোতে ইপিবির সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ধারাবাহিক কর্মশালা আয়োজনের কথাও জানিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন।









