তিনদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে খুচরা পর্যায়ে দেশী পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৩০ টাকা। আর পাইকারিতে বেড়েছে ২০ টাকা করে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরবরাহ কমার কারণেই দাম বাড়ছে। ভারত থেকে আমদানি শুরু হলে দাম আবারো কমে আসবে।

হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, তিনদিন আগে প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজ পাইকারিতে ৮৫ টাকা বিক্রি হয়েছিল। আর খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হয়েছিল ৯০ টাকায়। তিনদিনের ব্যবধানে সে পেঁয়াজের দাম বেড়ে পাইকারিতে ১০৫-১১০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। দাম বাড়ায় বেচাকেনা কমে গেছে। 

হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা আবুল হাসনাত মান্না বলেন, ‘‌ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় বেশ কিছুদিন ধরে দেশী পেঁয়াজ দিয়েই ক্রেতাদের চাহিদা মিটছিল। বাজারে দেশী পেঁয়াজের সরবরাহ ভালো থাকায় দামও কম ছিল। সম্প্রতি আবারো ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হচ্ছে, এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে। এতে করে কৃষকরা খেত থেকে পেঁয়াজ তোলার পরিমাণ কমিয়ে দেন। কিন্তু ভারত থেকে আমদানি শুরু না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা পুরনো পেঁয়াজই বেশি দামে বিক্রি করছেন।’ 

তিনি আরো জানান, কৃষকদের উৎপাদিত দেশী পেঁয়াজের সরবরাহ শেষের দিকে। এ বিষয়ও দাম বাড়াতে সহায়তা করছে। আমরা মোকামে প্রতি মণ পেঁয়াজ আগে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকায় কিনেছিলাম। সে পেঁয়াজ এখন ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকায় ঠেকেছে। 

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের সহকারি পরিচালক মমতাজ বেগম বলেন, ‘‌নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে অভিযান চালানো হচ্ছে। কেউ যদি কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে অহেতুক কোনো পণ্যের দাম বাড়ায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।