আমদানি বাড়ায় মাত্র একদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ভালো মানের পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৪-৫ টাকা করে। একদিন আগেও প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৫২-৫৭ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তা কমে গতকাল ৪৮-৫২ টাকায় নেমে আসে।

হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। ইন্দোর ও নাসিক জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। বন্দরে ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকা কেজি দরে, যা একদিন আগেও ৫০-৫২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। এছাড়া নাসিক জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকা কেজি দরে, যা একদিন আগে ৫৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।

হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকার আইয়ুব আলী বলেন, ‘‌গত রোববার বন্দর দিয়ে হঠাৎ করেই পেঁয়াজ আমদানি কমে যাওয়ায় দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে। সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪-৫ টাকা করে বেড়ে যায়। গতকাল বন্দর দিয়ে আবারো আমদানি বাড়ায় দাম কমে আগের অবস্থায় চলে এসেছে।’

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে আমদানি অব্যাহত রেখেছেন বন্দরের আমদানিকারকরা। রোববার হিলি কাস্টমসের সার্ভারে সমস্যার কারণে ট্রাক প্রবেশ করতে না পারায় বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি অর্ধেকে নেমে যায়। এতে করে দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় পণ্যটির সরবরাহ কমায় দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়ে গিয়েছিল। তবে সোমবার কাস্টমসের সার্ভারের সমস্যা সমাধান হওয়ায় ভারত থেকে স্বাভাবিকভাবে পণ্য রফতানি শুরু হওয়ায় বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি বেড়েছে। চাহিদার তুলনায় পণ্যটির সরবরাহ বাড়ায় আবারো দাম কমতে শুরু করেছে।’

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ‘বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি অব্যাহত থাকলেও আমদানির পরিমাণ ওঠানামা করছে। বন্দর দিয়ে রোববার মাত্র ২০টি ট্রাকে ৫৮৫ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। সোমবার আমদানির পরিমাণ বেড়ে ৩৪টি ট্রাকে ১ হাজার ১৬ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। গতকালও বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত ছিল।’