আন্তর্জাতিক বাজারে আবারো কমেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৫ শতাংশ দাম কমেছে। মূলত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি দুর্বল হয়ে পড়া, ট্রেজারি বন্ডের ঊর্ধ্বমুখী মুনাফার হার এবং চীনে করোনা সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউন পণ্যটির চাহিদাকে দুর্বল করে তুলেছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউক্রেন সংঘাতের জেরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ান জ্বালানি তেল খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার কথা ভাবছে।
এমনটা ঘটলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের সংকট নজিরবিহীন বাড়বে। সরবরাহ সংকটের এমন উত্কণ্ঠা থাকা সত্ত্বেও পণ্যটির দাম কমেছে।
এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানায়, সর্বশেষ কার্যদিবসে আইসিই ফিউচারস ইউরোপে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার আদর্শ ব্রেন্টের দাম ১ ডলার ৬৮ সেন্ট বা ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। প্রতি ব্যারেলের মূল্য স্থির হয়েছে ১০৬ ডলার ৬৫ সেন্টে।
অন্যদিকে নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে (নিমেক্স) মার্কিন বাজার আদর্শের দাম ১ ডলার ৭২ সেন্ট বা ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। প্রতি ব্যারেলের মূল্য স্থির হয়েছে ১০২ ডলার ৭ সেন্টে।
গত মাসে আন্তর্জাতিক বাজার আদর্শের দাম ১৩৯ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। ২০০৮ সালের পর এটিই পণ্যটির সর্বোচ্চ দাম। তবে চাহিদা কমে যাওয়ার উদ্বেগে চলতি সপ্তাহে উভয় বাজার আদর্শের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমেছে।
চলতি বছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ দীর্ঘায়িত হলে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আরো কমাতে পারে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।










