চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় চিনি ব্যবহারকারী দেশ। ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে দেশটিতে চিনি উৎপাদন ব্যাপক হারে কমার আশঙ্কা দেখা গিয়েছে। সাত বছরের মধ্যে উৎপাদন রেকর্ড সর্বনিম্নে নামতে পারে। এতে ভোগ্যপণ্যটির বাজার আবারো ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠতে পারে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

চীনে গত বছরের অক্টোবরে চিনির ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুম শুরু হয়। এ বছরের সেপ্টেম্বরে তা শেষ হবে। এ মৌসুমে দেশটিতে চিনি উৎপাদন ৯০ লাখ টনে নামবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা এর আগের মৌসুমের চেয়ে পাঁচ লাখ টনের চেয়েও কম।

চীনে প্রধান চিনি উৎপাদনশীল অঞ্চল গুয়াংশি। শুল্ক আবহাওয়ায় অঞ্চলটিতে এবার চিনি উৎপাদনে বিপর্যয় নেমেছে। মূলত এ কারণেই জাতীয় উৎপাদন ব্যাপক হারে কমার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা জানান, স্থানীয় সরবরাহে ভারসাম্য আনতে দেশটিকে অপরিশোধিত ও তরল চিনি আমদানি করতে হবে। বিশেষ করে কভিড-১৯ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় দেশটিতে চিনির চাহিদা ও ব্যবহার বাড়ছে লাফিয়ে।

ব্রোকার ও সরবরাহ চেইন পরিষেবা প্রতিষ্ঠান চারনিকভ জানায়, ২০২২-২৩ মৌসুমে চীন ৫৪ লাখ টন চিনি আমদানি করবে। এছাড়া চিনি চোরাচালানও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষক রোসা লি বলেন, ‘‌দুর্বল উৎপাদন পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় ঘাটতি দাঁড়াবে ৬৫ লাখ টনে, যা ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।’