চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) আগের হিসাব বছরের একই সময়ের তুলনায় তালিকাভুক্ত সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল) সমন্বিত বিনিয়োগ আয় বেড়েছে ১১ শতাংশের বেশি। তবে আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটিতে আমানতকারীদের রাখা আমানতের বিপরীতে সুদ গুনতে হয়েছে ৭ শতাংশ বেশি। আর বিভিন্ন ব্যয় বহনশেষে আলোচ্য সময়ে আগের হিসাব বছরের একই সময়ের তুলনায় ব্যাংকটির সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা বেড়েছে প্রায় ৫ শতাংশ। ব্যাংকটির চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ব্যাংকের গত রোববার অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভা থেকে এ আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।
প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে এসআইবিএলের সমন্বিত বিনিয়োগ আয় হয়েছে ১ হাজার ১৬৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ হাজার ৪৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। সে হিসাবে বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির সমন্বিত বিনিয়োগ আয় বেড়েছে ১১৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা বা ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির আমানতকারীদের আমানতের বিপরীতের সুদ পরিশোধ করতে হয়েছে ৮৪৮ কোটি ৬ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ সুদ পরিশোধ করতে হয়েছিল ৭৯২ কোটি ১০ লাখ টাকা। সে হিসাবে বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটিকে আমানতের বিপরীতের সুদ পরিশোধ করতে হয়েছে ৭ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ বেশি, টাকার অংকে যা ৫৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে বিভিন্ন ব্যয় শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৭০ কোটি ৭৪ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির সমন্বিত নিট মুনাফা বেড়েছে ৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা বা ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এ সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে (ইপিএস) ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৬ পয়সা।










