বেশির ভাগ জাপানি কোম্পানি কর্মীদের যোগদানকালীন বেতন বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। আগামী বছরের জন্য এবারের বসন্ত মৌসুমের আনুষ্ঠানিক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ১ মার্চ। যেখানে মূলত দেশটির নতুন স্নাতকরা চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন। এসব নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দেখা গেছে, অধিকাংশ ব্যবসার ক্ষেত্রে যোগদানকালীন বেতন সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সম্প্রতি এ তথ্য জানা গেছে টোকিওতে অবস্থিত প্রধান কর্মসংস্থান তথ্য সংস্থা মিনাভি করপোরেশনের একটি গবেষণায়।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে পরিচালিত একটি জরিপে অন্তত ২ হাজার ৩৬টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য পেয়েছে মিনাভি করপোরেশন। প্রাপ্ত ফলে দেখা গেছে, অধিকাংশ শিল্পপ্রতিষ্ঠানই ইতিবাচক তথ্য জানিয়েছে। মূলত কভিড-১৯ মহামারীর কারণে ব্যবসায় অর্থনৈতিক যে ধস নেমেছিল, তা থেকে উত্তরণের পর প্রতিষ্ঠানগুলো এখন অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। আর তার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবেই কর্মীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপানের এসব কোম্পানি। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠান কলা ও মানবিক বিভাগ থেকে পড়াশোনা করা স্নাতকদের চাকরির সুযোগ বাড়ানোরও পরিকল্পনা করেছে। গত বছরের তুলনায় এবার এ দুই বিভাগের প্রার্থীদের নিয়োগ অন্তত ৮ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ২৭ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যেখানে ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ কোম্পানি বলছে, তারা বিজ্ঞান থেকে পড়া ডিগ্রিধারীদের আরো নিয়োগ দিতে চায়। এখন পর্যন্ত এ বিভাগ থেকে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ প্রার্থীকে সুযোগ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিগুলো। 

৫২ দশমিক ৬ শতাংশ কোম্পানি গত বছরের মতো এবারো সমানসংখ্যক কলার স্নাতকধারীদের নিয়োগ দিতে চায়। অন্যদিকে ৫২ দশমিক ৩ শতাংশ কোম্পানি বিজ্ঞানের স্নাতকধারীদের সুযোগ দিতে ইচ্ছুক। সমীক্ষাটিতে আরো দেখা গেছে, এতে অংশ নেয়া অর্ধেক সংখ্যক কোম্পানিই মনে করছে আগামী বছর কলা বা বিজ্ঞান উভয় থেকেই যারা চাকরিতে যোগ দেবেন, সবার জন্য কর্মপরিবেশ থাকবে চ্যালেঞ্জের।