জুলাইয়ে চীনের সয়াবিন আমদানি বেড়েছে। এ সময় দেশটি ৯ কোটি ৭৩ লাখ টন সয়াবিন আমদানি করেছে, যা গত বছরের চেয়ে ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। সম্প্রতি শুল্ক বিবরণ থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। একই সময় কাছের অতীতের সয়াবিন উৎপাদনের রেকর্ড ছাড়িয়েছে ব্রাজিল। খবর রয়টার্স।

তথ্য বলছে, বছরের প্রথম সাত মাসে আমদানির পরিমাণ ৬ কোটি ২৩ লাখ টন হয়েছে, যা এক বছর আগের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। সয়াবিন চূর্ণ (ক্রাশ) করে সয়াবিন মিল তৈরি করা হয়, যা পশুখাদ্যের অন্যতম প্রধান উপাদান। বিশেষ করে চীনের বিপুলসংখ্যক শূকর পালনে এটি বেশি ব্যবহার হয়।

মধ্য জুন থেকে চীনে ক্রাশ মার্জিন ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। রিঝাওর মূল প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে প্রতি টন সয়াবিন ক্রাশের জন্য ২৭৭ দশমিক ৬৭ ইউয়ান (৩৮ দশমিক ৫১ ডলার) ব্যয় করতে হয়।

চীনের কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শূকর চাষীরা (হগ ফার্মার) অতিরিক্ত সরবরাহ ও কম চাহিদার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তবুও দেশটিতে শূকর পালন কেন্দ্রের সংখ্যা (হগ ইনভেন্টরি) বছরের প্রথমার্ধে বার্ষিক ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৪৩ কোটি ৫১ লাখ ৭০ হাজারে উন্নীত হয়েছে।

তবে উত্তর চীনে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে শূকর পরিবহন সীমিত হয়ে যাওয়ায় জুলাইয়ের শেষ দিকে এসে স্পট হগের দাম বেড়েছে। এদিকে মে মাসের শেষ দিকে চীনে সয়ামিলের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ায় প্রতি টনের দর ৪ হাজার ৫০০ ইউয়ানে (৬২৭ দশমিক ৫৬ ডলার) উঠে এসেছে।