চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ভারতে স্বর্ণের চাহিদা ব্যাপক কমেছে। এ সময় মূল্যবান ধাতুটির দাম বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। অন্যদিকে স্বর্ণ কেনার জন্য ক্রেতাদের অনুকূলে সময়ও ছিল কম। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ভারতে স্বর্ণের চাহিদা ১৮ শতাংশ কমেছে। চাহিদার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩৫ দশমিক ৫ টনে। স্বর্ণালংকারের চাহিদা আরো নিম্নমুখী। এ সময় ৯৪ দশমিক ২ টন স্বর্ণালংকারের চাহিদা ছিল, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৬ শতাংশ কম।
ভারতে মূল্যবান ধাতুটির চাহিদা পরিস্থিতি ছিল বৈশ্বিক চাহিদার ঠিক উল্টো। কারণ জানুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে স্বর্ণের বৈশ্বিক চাহিদা ৩৪ শতাংশ বেড়েছে। চাহিদার পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৩৪ টন, যা ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ।
বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে বিনিয়োগ খাত। এক বছরের ব্যবধানে এ খাতে ধাতুটির চাহিদা ২০৩ শতাংশ বেড়ে ৫৫০ দশমিক ৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
অথচ ভারতে বিনিয়োগ খাতে স্বর্ণের চাহিদা মাত্র তিন টন বা ৫ শতাংশ বেড়েছে। কারণ যখন দাম বেশি থাকে তখন ভারতীয়রা বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণ কেনার পরিবর্তে পুরনো স্বর্ণ, স্বর্ণালংকার ও মুদ্রা বিক্রিকেই বেশি প্রাধান্য দেয়।
মার্চে ভারতের বাজারে প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম বেড়ে ৫৫ হাজার রুপিতে উন্নীত হয়। এর আগে জানুয়ারির শুরুর দিকে ধাতুটির দাম ৪৯ হাজার রুপি পর্যন্ত পৌঁছেছিল।
এদিকে বছরের প্রথম তিন মাসে বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের ছোট বার ও কয়েন কেনার হার ২০ শতাংশ কমেছে। মূলত চীনে নতুন করে লকডাউন আরোপ এবং তুরস্কে ইতিহাসের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধির কারণে এ খাতে চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়ে।
এদিকে বিশ্বজুড়ে স্বর্ণালংকার কেনার পরিমাণও কমছে। ৭ শতাংশ কমেছে চাহিদা। বিশেষ করে শীর্ষ ব্যবহারকারী দেশ চীন ও ভারতে চাহিদায় মন্দা দেখা দিয়েছে।










