টানা দুই বছর মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের সমাপনী মজুদ নিম্নমুখী রয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকতে পারে এ বছরও। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বার্নামা সম্প্রতি এ তথ্য প্রকাশ করেছে। খবর ইকোনমিক টাইমস।

বার্নামার তথ্য অনুযায়ী, বছর শেষে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের সমাপনী মজুদ দাঁড়াতে পারে ২১ লাখ টন। এ মুহূর্তে দেশটিতে ২২ লাখ ৫০ হাজার টন পাম অয়েল মজুদ রয়েছে। মালয়েশিয়ান পাম অয়েলে বোর্ডের (এমপিওবি) তথ্য অনুযায়ী, আগের বছর ডিসেম্বরের শেষ দিকে দেশটিতে পণ্যটি মজুদের পরিমাণ ছিল ২৩ লাখ টন।

অক্টোবরে দেশটিতে উদ্ভিজ্জ তেলটির উৎপাদন অপ্রত্যাশিতভাবে কমে যায়। এদিকে দেশটিতে পণ্যটির অভ্যন্তরীণ ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। মালয়েশিয়া এ বছর বায়োডিজেলে পাম অয়েলের ব্যবহার ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশে উন্নীত করতে যাচ্ছে।

এমপিওবির মহাপরিচালক আহমেদ পরভেজ গোলাম কাদির জানান, তারা পণ্যটির মজুদ কমিয়ে ১৫-২০ লাখ টনের মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে, বিশেষ করে আগামী বছর থেকে তাদের বায়োডিজেল কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে। শীর্ষ দুই উৎপাদক ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া আগামী বছর বায়োডিজেল উৎপাদনে বাধ্যতামূলক পাম অয়েল ব্যবহারের হিস্যা বাড়াতে যাচ্ছে। ফলে দেশ দুটিতে ২০২০ সাল থেকে এ খাতে উদ্ভিজ্জ তেলটির বার্ষিক ব্যবহার বেড়ে যথাক্রমে ১ কোটি ও ১৩ লাখ টন হতে পারে।

বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনকারী দেশ মালয়েশিয়ায় সর্বশেষ মাসে পণ্যটির মজুদ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। একই সময় পণ্যটির উৎপাদন ১০ শতাংশ কমে ১৬ লাখ ১০ হাজার টনে নেমেছে।