বাড়ি
বিক্রি খাতে নতুন উচ্চতা পেয়েছে দুবাইয়ের আল ওয়াসল অঞ্চল।
সম্প্রতি সেখানে বাড়ি বিক্রিতে ১ কোটি ডলারেরও
বেশি চুক্তি হয়েছে। ব্যস্ততা পার করছেন বিনিয়োগকারীরা। সূচক রয়েছে ঊর্ধ্বমুখী। পাম, অ্যামিরেট হিলস ও জুমেইরা দ্বীপের
স্থানটি শিগগিরই প্রথম সারির নগরীতে পরিণত হবে এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। খবর দ্য গালফ নিউজ।
২০২৩ সালের প্রথম দিকে চমৎকার ছিল দুবাইয়ের স্থাবর সম্পদের বাজার। এ সময়ের মধ্যে ১ কোটি ডলার কিংবা তারও বেশি দামে বাড়ি বিক্রির চুক্তি হয়ে ৮৮টি। সব মিলিয়ে চুক্তির অন্তর্ভুক্ত মূল্য দাঁড়িয়েছে ৬০০ কোটি দিরহাম। এ হার অব্যাহত থাকলে অনায়াসে সূচক ২০২২ সালের রেকর্ডকে অতিক্রম করবে। সম্প্রতি এ বিষয়ে মন্তব্য করেন আবাসন প্রতিষ্ঠান নাইট ফ্রাঙ্কের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক গবেষণা বিভাগের প্রধান ফয়সাল দুররানি। তিনি বলেন, ‘২০২৩ সালে বাড়ি বিক্রির বাজার নতুন রেকর্ড তৈরি করবে।’
সাধ্যের নাগালে মূল্যনির্ধারণের কারণে বেড়েছে কেনার চাহিদাও। প্রথম প্রান্তিক থেকেই দুবাই কর্তৃপক্ষ ক্রেতার পছন্দকে সামনে রেখে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। উন্নত করা হয়েছে পরিষেবার কাঠামো। বিদেশীদের জন্য চালু করা হয়েছে তাৎক্ষণিক পেমেন্ট সুবিধা। নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে ডেভেলপারদের মাধ্যমেও। চলমান কাজগুলো তারা ২০২৪-২৬ সালের মধ্যে শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ফলে ক্রেতাদের মধ্যে ক্রমেই বেড়েছে আল ওয়াসলমুখী ঝোঁক।
দুবাইয়ের আবাসন অঞ্চল হিসেবে সবচেয়ে অভিজাত হলো পাম, অ্যামিরেট হিল ও জুমেইরা দ্বীপ। ১০ লাখ ডলার দিয়ে এসব অঞ্চলে ১১৩০ বর্গফুটের বাসা কেনা যায়। সাধ্যের মধ্যে অভিজাত পরিষেবা দেয়ায় দুবাই পৃথিবীতে ১৬তম অবস্থানে। বাইরে রয়েছে ফুটভিত্তিক মূল্যনির্ধারণের ব্যবস্থা। প্রতি বর্গফুট বাসযোগ্য স্থানের বিক্রয়মূল্য ৭ হাজার ২৩৫ দিরহাম। এক বছর আগের তুলনায় এ মূল্য ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি।
গত বছর প্রতি বর্গফুটের গড় মূল্য ছিল ৬ হাজার ২৫০ দিরহাম। চুক্তির মধ্যকার ৬৪ শতাংশ অঞ্চলই পাম, অ্যামিরেটস হিল ও জুমেইয়ার অন্তর্ভুক্ত। বাকি অংশ ক্রমেই বিখ্যাত হয়ে উঠছে সম্প্রতি। আল ওয়াসলের পাশের অঞ্চল তিলাল আল গাফ। অভিজাত অঞ্চলের তালিকায় উঠেছে খুব বেশিদিন হয়নি। গত বছর সেখানে তিনটি বাড়ি বিক্রয় করা হয় ৯ কোটি দিরহামে। সাতটা ভিলা মিলে ১ কোটির বেশি। অর্থাৎ প্রথম সারির নগরের প্রতিনিধিত্ব করে। সারা বিশ্বের অভিজাত মানুষ দুবাইকে তাদের দ্বিতীয় গন্তব্যে পরিণত করেছে। এই প্রবণতারই প্রমাণ তিলাল আল গাফের উত্থান। আল ওয়াসলও এক্ষেত্রে একটা মানদণ্ড হিসেবে উত্থিত হতে যাচ্ছে।










