গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলোর সভরেইন ফান্ডের আকার বেড়ে ৩ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০১৮ সালের পর থেকে এ তহবিলের আকার বেড়েছে ৭০ শতাংশ। জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি এ অঞ্চলভুক্ত দেশগুলোর অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে গঠিত তহবিল সম্প্রসারণে ভূমিকা রেখেছে। ক্রেডিট রেটিং প্রতিষ্ঠান ডিবিআরএস মর্নিংস্টারের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। খবর দ্য ন্যাশনাল।
বৈশ্বিক সভরেইন ফান্ডের ৩৩ শতাংশই উপসাগরীয় অঞ্চলের। সেদিক থেকে এ তহবিলে অঞ্চল হিসেবে জিসিসির অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চলের বৃহত্তম সভরেইন ফান্ড আবুধাবি ইনভেস্টমেন্ট অথরিটি (এডিআইএ)। প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে ৯৯ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের সম্পদ, যা আবুধাবির জিডিপির ৩২০ শতাংশের সমান।
এডিআইএ বিশ্বের চতুর্থ বৃহৎ সভরেইন ফান্ড। ১ দশমিক ৪২ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল নিয়ে বৈশ্বিক তালিকার শীর্ষে নরওয়ে গভর্নমেন্ট পেনশন গ্লোবাল ফান্ড। ১ দশমিক ৩৫ ট্রিলিয়ন ডলার নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে চায়না ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন। আর ১ দশমিক শূন্য ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল নিয়ে তৃতীয় স্থানে চীনের স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন।
উপসাগরীয় অঞ্চলের বৃহত্তম সম্পদ তহবিল হিসেবে এডিআইএর ঠিক পরেই রয়েছে কুয়েত ইনভেস্টমেন্ট অথরিটি, প্রতিষ্ঠানটির সম্পদের পরিমাণ ৮০ হাজার কোটি ডলার। সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডে সম্পদের পরিমাণ ৭০ হাজার কোটি ডলার। ধারাবাহিকভাবে তালিকায় রয়েছে কাতার ইনভেস্টমেন্ট অথরিটি, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব দুবাই, আবুধাবির মুবাদালা ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড হোল্ডিং কোম্পানি এডিকিউ। ডিবিআরএস মর্নিংস্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিকোলা জেমস বলেন, ‘উপসাগারীয় অঞ্চলের সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের হঠাৎ বৃদ্ধির প্রধান কারণ জ্বালানি তেল ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি। তাছাড়া অধিকাংশ দেশই সক্রিয়ভাবে বিনিয়োগে অংশ নিচ্ছে। যেকোনো বিনিয়োগ স্থানীয় অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর বিনিয়োগ সেখানকার ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক লক্ষ্যমাত্রায় ভূমিকা রাখবে।’










