শ্রীলংকায় জুলাইয়ে চা উৎপাদন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৩ লাখ ৭০ হাজার কেজিতে। বিশ্লেষকরা বলছেন, চলতি বছরের এখন পর্যন্ত উৎপাদন বাড়ার পেছনে প্রধান কারণ সারের ব্যবহার বৃদ্ধি। ফোর্বস অ্যান্ড ওয়াকার টি ব্রোকার্স সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে গত বছরের তুলনায় বাড়লেও ২০২১ সালের তুলনায় উৎপাদন ১৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে। এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশটিতে ১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২০ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উৎপাদন ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়েছে। তবে ২০২১ সালের জানুয়ারি-জুলাইয়ের তুলনায় উৎপাদন কমেছে ১৭ দশমিক ১৬ শতাংশ।
২০২০ সালের কভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেও দেশটি চা উৎপাদনের পরিমাণ অনেকটাই ধরে রাখতে সক্ষম হয়। ওই সময় মোট ২০ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার কেজি চা উৎপাদন করে শ্রীলংকা। কিন্তু ২০২১ সালের পর থেকে দেশটিতে চা উৎপাদন ক্রমে কমেছে।
শ্রীলংকার তৎকালীন গোতাবায়া সরকার কৃষি খাতকে পুরোপুরিভাবে অর্গানিক করার পরিকল্পনা হাতে নেয়। এ কারণে সার আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এছাড়া আমদানি ব্যয় কমিয়ে আনাও ছিল এর উদ্দেশ্য। কিন্তু সার আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কৃষি খাতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে প্রধান রফতানি পণ্য চা উৎপাদনে বিপর্যয় নেমে আসে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও কমে যায়।










