পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ খাতের কোম্পানি এমবি ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের শেয়ারদর গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ১৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেড়েছে। গত সপ্তাহের শুরুতে কোম্পাটির শেয়ারদর ছিল ৫৩৭ টাকা ৯০ পয়সা। সপ্তাহ শেষে এ দর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪৫ টাকা ১০ পয়সায়। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির মোট ৮ কোটি ৬৭ লাখ ৬০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দৈনিক গড় হিসাবে এ লেনদেন ছিল ১ কোটি ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৩৪ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭৪ পয়সা। আর সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭০ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪০ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২ পয়সায়। 

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল কোম্পানিটির পর্ষদ। তবে কোম্পানিটির ঘোষিত স্টক লভ্যাংশে অসম্মতি জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ফলে আলোচ্য হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডাররা কেবল ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছেন। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৩৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যেখানে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৫ টাকা ৪২ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২১ টাকা ৯৬ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৮ টাকা ৬৮ পয়সায়। 

এর আগে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯-২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের জন্য ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এর আগের দুই হিসাব বছরেও একই হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।