সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেডের শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক বেড়েছে। এর পেছনে কোনো ধরনের মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) জানিয়েছে কোম্পানিটি।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ৩১ ডিসেম্বরের পর থেকেই শ্যামপুর সুগার মিলসের শেয়ার দর ঊর্ধ্বমুখী। এদিন কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৯৬ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠে। সর্বশেষ গতকাল ২৭৬ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। শেয়ারদরের পাশাপাশি এ সময়ে কোম্পানিটির উল্লেখযোগ্য পরিমাণে শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) শ্যামপুর সুগার মিলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২১ টাকা ৭ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ২৬ টাকা ৬৯ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৩২ টাকা ২৮ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি শ্যামপুর সুগার মিলসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৩ টাকা ৬২ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৫৩ টাকা ৩ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২১১ টাকা ২১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরেও শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশের সুপারিশ করেনি শ্যামপুর সুগারের পরিচালনা পর্ষদ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২৫ টাকা ১৫ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ১২১ টাকা ৩৮ পয়সা। ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শ্যামপুর সুগার মিলসের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৫ কোটি টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০০ কোটি ৬০ লাখ টাকায়। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬২ টাকা ৯০ থেকে ২৭৬ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।










