চলতি মৌসুমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) গম রফতানির পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় কমে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন বাণিজ্যসংশ্লিষ্টরা। চলতি বিপণন বর্ষে গম রফতানির লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়েছে রাশিয়া। তাই শুল্ক সত্ত্বেও কম দামে গ্রীষ্মকালীন নতুন গম কিনতে পারায় রাশিয়ার দিকে ঝুঁকেছেন আমদানিকারকরা। এতে ইউরোপের সার্বিক গম রফতানিতে প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন গম ব্যবসায়ী ও বাজার বিশ্লেষকরা। খবর রয়টার্স।

এর আগে ইইউর জুলাই-জুন সেশনের গমের একটা বড় অংশ বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে চীনের কাছে ফ্রান্সের গম ও আলজেরিয়ার কাছে জার্মানির গম বিক্রি করা হয়। গত গ্রীষ্ম মৌসুমে গম উৎপাদের পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকা এবং বেশি পরিমাণে গম রফতানির ফলে দেশটির মজুদ সীমিত হয়ে যায়। ফলে ইইউর গমের দাম বেড়ে যায়।

অন্যদিকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে গম রফতানির ওপর শুল্কারোপের সিদ্ধান্ত রাশিয়ার স্থানীয় বাজারে গমের মূল্য সীমিত রাখতে সক্ষম হয়। তখন ইইউর গমের চাহিদা বাড়বে বলে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু শুল্কারোপ সত্ত্বেও রাশিয়ার গমের তুলনামূলক কম মূল্যের ফলে আমদানিকারকরা বাজার পরিবর্তন করেন।

জার্মানির এক ব্যবসায়ী বলেছেন, আমদানিকারকরা গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চে রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণে গম ক্রয় করেন। ফলে আমদানিকারকদের চাহিদার একটা বিশাল পরিমাণে কমে এসেছে, যা ইইউর জন্য রফতানি ঘাটতি হিসেবে দেখা দেবে। এখন আমদানিকারকরা মূলত রাশিয়ার নতুন গমের জন্য অপেক্ষায় থাকেন। গত জুন থেকেই এমনটা দেখা গেছে।