আর্জেন্টিনায় তাপমাত্রা রয়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি। কৃষিপ্রধান কিছু কিছু অঞ্চলে রীতিমতো খরা দেখা দিয়েছে। এর জের ধরে দেশটিতে ২০২০-২১ মৌসুমে সয়াবিন উৎপাদন কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কমতে পারে রফতানিও। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক (জিএআইএন) শীর্ষক প্রতিবেদনে এমন সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। খবর ওয়ার্ল্ডগ্রেইনডটকম ও এগ্রিমানি।
ইউএসডিএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০-২১ মৌসুমে আর্জেন্টিনায় ১ কোটি ৭৫ লাখ হেক্টর জমিতে সয়াবিন আবাদ হয়েছে। তবে এ মৌসুমে দেশটিতে কৃষিপণ্যটির উৎপাদন ১০ লাখ টন কমে পাঁচ কোটি টনে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
সয়াবিন উৎপাদনকারী দেশগুলোর বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় আর্জেন্টিনার অবস্থান তৃতীয়। কৃষিপণ্যটির রফতানিকারকদের বৈশ্বিক তালিকায়ও দেশটি একই অবস্থানে রয়েছে। ইউএসডিএ বলছে, বাড়তি আবাদ হলেও উষ্ণ তাপমাত্রা ও খরা পরিস্থিতির কারণে ২০২০-২১ মৌসুমে আর্জেন্টিনায় সয়াবিন উৎপাদন প্রত্যাশা পূরণ নাও করতে পারে।
এর প্রভাব পড়তে পারে আর্জেন্টিনার সয়াবিন রফতানিতে। ইউএসডিএর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২০-২১ মৌসুমে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে কৃষিপণ্যটির রফতানি ১০ লাখ টন কমে ৭০ লাখ টনে নেমে আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আর্জেন্টিনায় উৎপাদন ও দেশটি থেকে রফতানিতে সম্ভাব্য মন্দা ভাবের জের ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিনের দাম দীর্ঘমেয়াদে চাঙ্গা থাকতে পারে। এরই মধ্যে শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) সয়াবিনের দাম বেড়ে ২০১৪ সালের জুনের পর্যায়ে উন্নীত হওয়ার পথে রয়েছে। সিবিওটিতে টানা চার সপ্তাহ ধরে বাড়তির পথে রয়েছে কৃষিপণ্যটির দাম।










