গাজার যুদ্ধ চলমান থাকতেই ইরানের সঙ্গে নতুন সংঘাতে জড়িয়েছে ইসরায়েল। পরপর দুটি সংঘাত সামাল দিতে দেশটির অর্থনীতি চাপের মুখে পড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে আর্থিক সক্ষমতার ওপর। সম্প্রতি রেটিং এজেন্সি এসঅ্যান্ডপি ইসরায়েলের রেটিং কমিয়েছে। খবর রয়টার্স।
ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাকর এ পরিস্থিতির মাঝে সম্প্রতি ইসরায়েলের ক্রেডিট রেটিং এএ মাইনাস থেকে এ প্লাসে নামিয়ে এনেছে এসঅ্যান্ডপি।
এক বিবৃতিতে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল জানায়, ২০২৪ সালে ইসরায়েল সরকারের বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এর প্রধান কারণ চলমান যুদ্ধের কারণে দেশটির প্রতিরক্ষা খরচ আগের চেয়ে বেড়ে গেছে।
ক্রেডিট রেটিংয়ের এ নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক ঝুঁকিকে প্রতিফলিত করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ ও হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষ ইসরায়েলের অর্থনীতিকে পূর্বাভাসের চেয়েও বেশি প্রভাবিত করতে পারে।
এসঅ্যান্ডপির বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছে ইসরায়েল। এ সংঘর্ষ এখনো বিক্ষিপ্ত অবস্থায় থাকলেও সামরিক উত্তেজনার আরো বাড়ার ঝুঁকি দেখা যাচ্ছে।
চলতি মাসের শুরুর দিকে সিরিয়ায় ইরানি কনস্যুলেটে হামলা চালায় ইসরায়েল। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ এপ্রিল ইসরায়েলে ব্যাপক আকাশ হামলা চালানোর কথা জানায় ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস। এ হামলায় কয়েক ডজন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে তেহরান। এর কয়েক দিনের মাথায় গতকাল ইরানের ভূখণ্ডে হামলার কথা জানিয়েছে তেল আবিব। এরপর ওই অঞ্চলে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বেড়েছে।
চলতি মাসের শুরুর দিকে ফিচ রেটিং ইসরায়েলের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক ছিল। সংস্থাটি রেটিং থেকে নেতিবাচক প্রবণতা সরিয়ে দেয়। ফিচ রেটিং অনুযায়ী, ইসরায়েলের রেটিং ছিল এ প্লাস। সেখানেও গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধকে একটি ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।
এর আগে ফেব্রুয়ারিতে আরেক ক্রেডিট রেটিং সংস্থা মুডিস ইসরায়েলের আর্থিক সক্ষমতা কমার তথ্য দেয়। ওই সময় ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ সিদ্ধান্তটিকে অর্থনৈতিক বিচারে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন।










