ভারতে গত মাসে ১১ লাখ ৩৫ হাজার টন ভোজ্যতেল আমদানি কমেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমদানি ৮ শতাংশ বেড়েছে। ওই সময় আমদানির পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ৫১ হাজার ৬৯৮ টন। সলভেন্ট এক্সট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (এসইএ) সম্প্রতি এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে স্থানীয় ভোজ্যতেল পরিশোধন কেন্দ্রগুলোকে রক্ষার জন্য পরিশোধিত ও অপরিশোধিত পাম অয়েলের শুল্ক ব্যবধান আরো বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
এসইএর তথ্যমতে, ভারতে গত মাসে পাম অয়েল আমদানি ২৪ শতাংশ বেড়ে ৭ লাখ ২৮ হাজার ৫৩০ টনে উন্নীত হয়েছে। তবে সয়াবিন তেল আমদানি কমেছে ২৭ শতাংশ। এটি আমদানির পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯২৫ টন। অন্যদিকে সূর্যমুখী তেল আমদানি ৫ শতাংশ কমেছে। আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৪৫ টনে।
গত মার্চে মোট উদ্ভিজ্জ তেল আমাদানি এক বছরের ব্যবধানে ৬ শতাংশ বেড়েছে। আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৭২ হাজার ২৯৩ টনে। গত বছরের একই সময় আমদানি হয়েছিল ১১ লাখ ৪ হাজার ৫৭০ টন। ভোজ্য নয় এমন উদ্ভিজ্জ তেল আমদানি কমে ৩৬ হাজার ৬৯৩ টনে নেমেছে। গত বছরের একই সময় আমদানির পরিমাণ ছিল ৫২ হাজার ৮৭২ টন।
২০২২-২৩ তেল বিপণন বর্ষের প্রথম পাঁচ মাসে (নভেম্বর-মার্চ) ভারতের ভোজ্যতেল আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৫ টনে। আগের বছরের একই সময় আমদানির পরিমাণ ছিল ৫৬ লাখ ৪২ হাজার ৯১৮ টন।
এ পাঁচ মাসে ভোজ্য নয় এমন উদ্ভিজ্জ তেল আমদানি কমে ৭৯ হাজার ৮২৮ টনে নেমেছে। গত বছরের একই সময় আমদানির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫২ হাজার ৮১০ টন।
গত নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট উদ্ভিজ্জ তেল আমদানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ২২ শতাংশ। আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭০ লাখ ৬০ হাজার ১৯৩ টনে। আগের বছরের একই সময় যা ছিল ৫৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭২৮ টন।
এসইএ বিবৃতিতে জানায়, মোট পাম অয়েল আমদানির প্রায় ২২ শতাংশই পরিশোধিত পাম অলিন। পাঁচ মাসে পণ্যটি আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৮৯ হাজার টনে। বিপুল পরিমাণে পরিশোধিত পণ্যটি আমদানির ফলে স্থানীয় পরিশোধন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
এসইএর দাবি, অপরিশোধিত পাম অয়েল ও পরিশোধিত পাম অয়েল বা পাম অলিনের মধ্যকার শুল্ক ব্যবধান ৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে অন্তত ১৫ শতাংশ করা প্রয়োজন।










