এসব মামলায় অভিযোগ করা হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানটির ট্যালকম পাউডার ব্যবহারকারীদের মধ্যে ডিম্বাশয় ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করেছে। খবর বিবিসি।

সমঝোতা কার্যকর হলে বহু বছর ধরে চলা একটি বড় আইনি বিরোধের অবসান হতে পারে। নিউ জার্সিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির ওপর এসব মামলার প্রভাব ছিল দীর্ঘদিন ধরে।

জেঅ্যান্ডজে ফের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, জনসনের ট্যালকম-ভিত্তিক পণ্য ক্যান্সারের অনুঘটক নয়। এরই মধ্যে জনপ্রিয় বেবি পাউডারের উপাদানও পরিবর্তন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটির লিটিগেশন-বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিক হাস বলেন, ‘অভিযোগগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। তবু দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার ইতি টানতেই কোম্পানি সমঝোতার পথে এগোচ্ছে।’

জেঅ্যান্ডজে জানায়, প্রস্তাবিত সমঝোতার আওতায় প্রায় ৭৬ হাজার মামলা নিষ্পত্তি করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছর সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি ডলার পরিশোধ করা হবে। এরপর ২০২৮ সালের আগে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকবে না।

এ সমঝোতা কার্যকর করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও ফেডারেল আদালতে জেঅ্যান্ডজের ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার-সংক্রান্ত প্রায় ৭৬ হাজার মামলা চলছে। বাদীদের পক্ষে বিভিন্ন আইনজীবী প্রতিষ্ঠান মামলা পরিচালনা করছে। ৯৫ শতাংশ বা তার বেশি মামলার প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবীরা সমঝোতায় রাজি হলেই চুক্তিটি চূড়ান্ত হবে।

২০২২ সালে জেঅ্যান্ডজে থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন কোম্পানি হিসেবে যাত্রা করে কেনভিউ। ব্যান্ড-এইড, লিস্টারিন ও ক্যালপলের মতো পরিচিত ব্র্যান্ডও এর মালিকানায় রয়েছে। জেঅ্যান্ডজের বিরুদ্ধে ট্যালকম পাউডার নিয়ে মামলা শুরু হয় ২০০৯ সালে। মামলাকারীদের অভিযোগ, ট্যালকমে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থ অ্যাসবেস্টস ছিল।