যদি বলা হয় হংকংয়ে বসেও ১০০ বছর আগের জাপানের আবহ উপভোগ করা যাবে, তাহলে বিস্ময় জাগবে নিশ্চয়! সম্প্রতি ঠিক এমনই আয়োজন করা হয়েছে প্রাণচঞ্চল সিম শা সুই শহরের এক ক্যাফেতে। যেখানে শতাব্দী আগের জাপানের রেলগাড়ির আদলে তৈরি ভিনটেজ মডেলের দুটি বগিতে বসে খাবার অর্ডার করা যাচ্ছে। পেটপূজো ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন ঘটিয়েছে হারা ক্যাফে। এখানে যে দুটি বগিতে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে, তা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত রেলগাড়ির মডেল সংগ্রাহক ও নির্মাতা প্রয়াত নোবুতারো হারার দুটি মডেল অনুসারে তৈরি। এর মধ্যে একটি ১৯১৯ সালে টোকিওর পশ্চিমে হট-স্প্রিংস শহরের হাকোনে তোজান পর্বত আরোহণের পথে প্রথম যাত্রা করা ট্রেনের একটি বগির আদলে তৈরি। অন্যটি ১৯২১ সালে ওসাকাভিত্তিক হানশিন ইলেকট্রিক রেলওয়ের জন্য তৈরি ট্রেনের একটি বগির আদল। মূল বগির অনুপাত অনুসরণ করে বানানো মডেল দুটি জাপানের ইয়োকোহামায় অবস্থিত হারা মডেল রেলওয়ে জাদুঘরে রাখা আছে। জাদুঘরের পরিচালক ও নোবুতারোর ছেলে জর্জ হারা জানান, হংকংয়ের ক্যাফেতে ভিনটেজ মডেলের বগি দুটির জানালায় ডিজিটাল পর্দা ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বসে খাবার উপভোগ করার পাশাপাশি মাউন্ট ফুজিসহ জাপানের ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা যাবে। জাদুঘরটিতে জায়গা দেয়া হয়েছে নোবুতারো হারার তৈরি কিছু সূক্ষ্ম ও শ্রমসাধ্য মডেল। পাশাপাশি রাখা হয়েছে জাপান এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদ্বোধনী ট্রেন টিকিট, রেললাইন ও ট্রেনের নানা ছবিসহ এ-সংক্রান্ত বেশকিছু স্যুভেনিয়র। মডেলগুলোর ভঙ্গুরতা বিবেচনায় জাপানের বাইরে প্রদর্শনীর অনুরোধ গ্রহণ করেন না জর্জ হারা। অন্যদিকে রেলওয়ের প্রতি আগ্রহ আছে এমন ব্যক্তিদের জন্য জাপান সহজলভ্য নাও হতে পারে। সেজন্য হারা ক্যাফের ভিনটেজ মডেল দুটির মাধ্যমে জাপানের ঐতিহ্য উপভোগ অনেকটাই সহজ হয়েছে। খবর ও ছবি নিক্কেই এশিয়া
জাপানি ভিনটেজ ট্রেনের আদলে হংকংয়ে ক্যাফে
যদি বলা হয় হংকংয়ে বসেও ১০০ বছর আগের জাপানের আবহ উপভোগ করা যাবে, তাহলে বিস্ময় জাগবে নিশ্চয়! সম্প্রতি ঠিক এমনই আয়োজন করা হয়েছে প্রাণচঞ্চল সিম শা সুই শহরের এক ক্যাফেতে।










