ইন্দোনেশিয়ায় চলতি বছর নিকেল উত্তোলনের পরিমাণ ১৬ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১৭ লাখ ৫০ হাজার টনে দাঁড়াতে পারে। এমন পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির জাতীয় নিকেল স্টাডি গ্রুপ। খবর হেলেনিক শিপিং নিউজ।
বিশ্বের শীর্ষ আকরিক নিকেল ও নিকেলপণ্য সরবরাহকারী ইন্দোনেশিয়া। স্টেইনলেস স্টিল উৎপাদনে নিকেল ব্যবহার হয়। তাই বিশ্বজুড়েই নিকেলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির (ইভি) ব্যাটারি তৈরিতে নিকেলের চাহিদা বেড়েছে।
আন্তর্জাতিক নিকেল স্টাডি গ্রুপের প্রাথমিক হিসাব বলছে, ইন্দোনেশিয়া এখন পর্যন্ত ১১ লাখ ৬০ হাজার টন নিকেল উত্তোলন করেছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩২ শতাংশ বেড়েছে। এ বছর মোট বৈশ্বিক উত্তোলনের ৩৮ শতাংশ উত্তোলন করেছে দেশটি।
ইন্দোনেশিয়ার মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী সেপ্টিয়ান হারিও সেটো জানিয়েছেন, চলতি বছর ২২ লাখ টন নিকেল উত্তোলনের সক্ষমতা রয়েছে দেশটির। তিনি বলেন, ‘আমাদের যে উত্তোলন সক্ষমতা রয়েছে তা যথেষ্ট। এটি আর বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। যে পরিমাণ নিকেল উত্তোলন করা হয়েছে আমাদের এখনো সে তুলনায় প্রয়োজনীয় বিগলন কারখানা নেই।’
এদিকে ইন্দোনেশিয়ায় উত্তোলন বাড়ায় ঘাটতি কাটিয়ে উদ্বৃত্তের পথে হাঁটছে নিকেলের বৈশ্বিক বাজার। গত বছর বৈশ্বিক সরবরাহে প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজার টনের ঘাটতি ছিল। বর্তমানে সরবরাহ ব্যবহার বা চাহিদাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া ও চীনে ধাতুটির মজুদ বাড়ায় দামও নিম্নমুখী হচ্ছে।
এদিকে জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে কার্বন নিঃসরণ রোধের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন বিশ্ব নেতারা। কার্বনশূন্য পৃথিবী গড়তে ৩০ বছরের মধ্যে বিশ্ববাজারে দ্বিগুণ বেশি তামা ও চার গুণ বেশি নিকেল প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বিএইচপি গ্রুপ।










