ফ্রান্সে গমের ফলন (সফ্‌ট) কমার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। চলতি বছর শস্যটির ফলন গত ১০ বছরের গড়ের তুলনায় ১১ শতাংশ কমতে পারে। গত শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ক্রপ ইনস্টিটিউট আরভালিস ও গ্রেইন ইন্ডাস্ট্রি গ্রুপ ইন্টারসেরিয়ালেস। খবর বিজনেস রেকর্ডার। 

বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠান দুটি জানায়, চলতি বছর ফ্রান্সে হেক্টরপ্রতি ৬ দশমিক ৪ টন গম উৎপাদন হতে পারে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ শতাংশ কম। 

আরো জানায়, চলতি বছর গমে গড়ে ১১ দশমিক ৬ শতাংশ প্রোটিন সামগ্রী থাকতে পারে, যা গত বছরের তুলনায় স্থিতিশীল। 

এদিকে বিশ্বব্যাপী গমের বাজার সম্প্রতি উল্লেখযোগ্য অস্থিতিশীলতার মুখোমুখি হয়েছে। মে মাসের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিকূল আবহাওয়া, সরবরাহ ও চাহিদার প্রভাবকগুলোর অস্থিতিশীলতা গমের বাজারদর নিয়ে আশঙ্কা তৈরি করছে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বাজারসংশ্লিষ্ট তথ্য ও মূল্যের ডাটা সরবরাহকারী ডিজিটাল প্লাটফর্ম কেম অ্যানালিস্ট।

প্রতিবেদনে কেম অ্যানালিস্ট জানায়, বিশ্বব্যাপী গম সরবরাহ এখন উল্লেখযোগ্য মাত্রায় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। গত জুনে ওয়ার্ল্ড এগ্রিকালচারাল সাপ্লাই অ্যান্ড ডিমান্ড এস্টিমেটস (ডব্লিউএএসডিই) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাশিয়ার গম উৎপাদন গত বছরের তুলনায় প্রায় ৮৫ লাখ টন কমে প্রায় ৮ কোটি ৩০ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে।