এবারের মৌসুমে চীনের বাজারে গম রফতানি বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। মূলত ফ্রান্স থেকে রফতানি বাড়ার জেরে চীনে ইইউর সম্মিলিত গম রফতানি বাড়বে। শস্যবাজার সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ইইউ থেকে চীনে ১০ লাখ টনের মতো গম রফতানি হতে পারে। খবর রয়টার্স ও বিজনেস রেকর্ডার।
চীন বিশ্বের শীর্ষ গম উৎপাদনকারী দেশ। তবে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে দেশটি প্রতি বছর কয়েক লাখ টন গম আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানি করে থাকে। এদিকে সমুদ্রপথে অতিরিক্ত খরচের কারণে ইইউ থেকে খুব কমই গম আমদানি করে দেশটি। তবে এবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ এবং অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য উত্তেজনা দেশটিকে পণ্যটির নতুন বাজার খুঁজতে বাধ্য করছে।
ইইউর সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ মৌসুমের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত (১ জুলাই থেকে ১৫ ডিসেম্বর) চীনে এ অঞ্চল থেকে সব মিলিয়ে ৭ লাখ ২৭ হাজার টন গম রফতানি হয়েছে। এর আগের মৌসুমজুড়ে রফতানি হয়েছিল ১ লাখ ৩১ হাজার টন। এছাড়া আগের চার মৌসুমে পণ্যটি রফতানির পরিমাণ এ তুলনায় একেবারে নগণ্য।
ফ্রান্স ইইউর বৃহৎ গম রফতানিকারক দেশ। বন্দর সূত্রে পাওয়া তথ্য অুনযায়ী, চলতি মৌসুমের এখন পর্যন্ত দেশটি থেকে চীনে ছয় লাখ টনের বেশি গম রফতানি হয়েছে। তবে ইউরোপ ও চীনের ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ সময়ে ইইউ থেকে মোট আট লাখ টনের মতো গম চীনে পৌঁছেছে। এদিকে ফ্রান্স বাদেও বাল্টিক স্টেজভুক্ত দেশগুলো (এস্তোনিয়া, লাটভিয়া ও লিথুয়ানিয়া) থেকে ২ লাখ ৪০ হাজার থেকে ২ লাখ ৬০ হাজার টন গম আমদানি করতে পারেন বেইজিংয়ের ব্যবসায়ীরা, যার অধিকাংশ আসবে লিথুয়ানিয়া থেকে।









