দেশীয় বাজারে চাহিদার পাশাপাশি দাম বেড়ে যাওয়ায় সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে শুকনা হলুদ আমদানি বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দুই হাজার টন বেশি আমদানি করা হয়েছে মসলাপণ্যটি।
ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গিয়েছে, গত অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাস জুলাই-নভেম্বর পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে শুকনা হলুদ আমদানি হয়েছিল ৯ হাজার ৬৩ টন, যার আমদানি মূল্য ১০২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এ থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের একই সময় শুকনা হলুদ আমদানি হয়েছে ১০ হাজার ৭৬৬ টন। সে হিসাবে আমদানি ১ হাজার ৭০৩ টন বেড়েছে। যার আমদানি মূল্য ১৩৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এ থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।
ভোমরা স্থলবন্দরের অন্যতম মসলা পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, তার প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি হলুদ আমদানি বেড়েছে। গত অর্থবছরের এ সময় মাসে গড়ে ১৪০-১৫০ ট্রাক আমদানি হলেও চলতি অর্থবছর গড়ে ১৭০-১৮০ ট্রাক আমদানি হচ্ছে। দেশের বাজারে পণ্যটির চাহিদাও বেশি।
অন্যদিকে এক মাসের ব্যবধানে সাতক্ষীরায় গুঁড়া হলুদের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৪০-৫০ টাকা। সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড়বাজারের পাইকারি মসলাপণ্যের আড়ত মেসার্স জুবায়ের এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. জহুরুল হক জানান, এক মাসের ব্যবধানে গুঁড়া হলুদের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৪০-৫০ টাকা। বর্তমানে প্রতি কেজি ৩৯০-৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা এক মাস আগেও ৩৪০-৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল।
ভোমরা শুল্ক স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার নেয়ামুল হাসান বণিক বার্তাকে জানান, মসলাপণ্য হিসেবে হলুদ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য হারে রাজস্ব আসে সরকারের। গত পাঁচ মাসে ৬ কোটি টাকার ওপরে রাজস্ব আয় হয়েছে শুকনা হলুদ আমদানি থেকে।










