সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০৩০ সালের মধ্যে ১৯ দশমিক ৮ গিগাওয়াট পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সম্প্রতি আবুধাবি ইন্টারন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম এক্সিবিশন অ্যান্ড কনফারেন্স (এডিআইপিইসি)-২০২৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান দেশটির জ্বালানি ও অবকাঠামোমন্ত্রী সুহাইল বিন মোহাম্মদ আর মাজরুই। খবর অ্যারাবিয়ান বিজনেস।
‘ফাস্ট ট্র্যাকিং দি এনার্জি ট্রানজিশন’ শীর্ষক বৈঠকে অংশ নেন এডিআইপিইসির মন্ত্রী পর্যায়ের নেতারা। সেখানে আল মাজরুই বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতবর্ধনশীল পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদনকারী হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত অন্যতম। ২০৩০ সালের মধ্যে মোট ১৯ দশমিক ৮ গিগাওয়াট পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। আমরা বিশ্বের শীর্ষ স্বল্প কার্বন হাইড্রোজেন উৎপাদক ও সরবরাহকারী দেশ হতে চাই। ২০৩১ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১৪ লাখ টন এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১ কোটি ৫০ লাখ টন স্বল্প কার্বন হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্যে কাজ করছি। এ সময় জ্বালানি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।’
এডিআইপিইসি ২০২৩-এর চেয়ারম্যান ও এডিএনওসি অফশোরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাইবা আল হাশেমি বলেন, ‘২০২৩ সালের মধ্যে পৃথিবীতে নতুন আরো ৫০ লাখ মানুষের বাসস্থান হবে। ফলে নতুন এ জনসংখ্যার জন্য প্রতি বছর আরো অধিক জ্বালানির প্রয়োজন হবে।’
জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একটি জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া দরকার বলেও জানান তাইবা আল হাশেমি। তিনি বলেন, ‘দ্রুত সময়ে কার্বন নিঃসরণের মাত্রা শূন্যে নামিয়ে আনতে প্রত্যেক দেশের সরকার, শিল্পকারখানা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’
আরামকোর প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিন এইচ নাসের বলেন, ‘বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়তার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিশীল। এ লক্ষ্যে আমাদের স্বল্প কার্বন কার্যক্রমের পরিসর বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চলমান। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরা একটি পরিবেশবান্ধব ও অধিক টেকসহ জ্বালানি দিতে চাই। কেননা জ্বালানি নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব একসঙ্গে কাজ করতে পারে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’










