সাম্প্রতিক সময়ের অস্বাভাবিক শেয়ারদর ও লেনদেন বাড়ার পেছনে কোনো ধরনের মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। শেয়ারদর ও লেনদেন বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ৯ আগস্ট ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পক্ষ থেকে কোম্পানিটির কাছে চিঠি দেয়া হয়। যার জবাবে গতকাল এক্সচেঞ্জটির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানিটি।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১ থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ১৫ টাকা ৩০ পয়সা বা ৪৭ দশমিক ২২ শতাংশ। পরে অবশ্য কোম্পানিটির শেয়ারদর কমতে দেখা গেছে। ডিএসইতে গতকাল লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ১০ পয়সায়। সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে ৬ আগস্ট কোম্পানিটির শেয়ার সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে। এদিন কোম্পানিটির মোট ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৬৩৩টি শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। আর গতকাল কোম্পানিটির ৬৫ হাজার ২৬৯টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ লোকসান ছিল ১৮ পয়সা। অন্যদিকে সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ লোকসান ছিল ৬ পয়সা। এ বছরের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যেখানে দায় ছিল ৪ টাকা ৭৩ পয়সা।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি মেঘনা পেট। এর আগে ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্যও শেয়ারহোল্ডাররা কোনো লভ্যাংশ পাননি।










