আসিয়ান জোটভুক্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় পর্যটক সংখ্যা ২০২৩ সালে ১০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে, যা ২০১৯ সালের প্রাক-কভিড স্তরের ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে। মহামারীর পর দেশগুলোর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে পর্যটন। এ অঞ্চলের অনেক দেশেই চীনের অবকাঠামো অংশীদারত্ব এ খাতকে এগিয়ে নিয়েছে। গত বছর ব্রুনাই বাদে বাকি নয়টি দেশের মোট দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ কোটি, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৩ গুণ বেশি, তবে ২০১৯ সালের তুলনায় ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ কম। কভিডের আগে থাইল্যান্ডের জিডিপির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ছিল পর্যটননির্ভর। ২০২৩ সালে দেশটিতে বিদেশী পর্যটকের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৮০ লাখ। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি একাধিক পর্যটনবান্ধব উদ্যোগ এতে ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হয়। গত বছর থাইল্যান্ডে প্রায় ৩৫ লাখ চীনা পর্যটক পেয়েছে, যা এ খাতে পুনরুদ্ধারের পেছনে একটি মূল শক্তি হিসেবে কাজ করছে। এ অঞ্চলের আরেক দেশ লাওসের রেলওয়ে উন্নয়নে কাজ করেছে চীন। দেশটি শুধু সীমান্তবর্তী রেল রুটে ২০২৩ সালে ১৭ লাখ ৫০ হাজার যাত্রী পেয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে দ্বিগুণ বেশি। এছাড়া চীনা অবকাঠামো উন্নয়ন কম্বোডিয়ায় বিদেশীদের আকর্ষণ করেছে। দেশটি ২০২৩ সালে ৫৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি পর্যটক পেয়েছে, যাদের মধ্যে ১০ শতাংশ ছিলেন চীনা। অবশ্য চীনা পর্যটকের সংখ্যা প্রাক-মহামারী পর্যায়ের তুলনায় কম, কিন্তু ২০২২ সালের তুলনায় ৫ দশমিক ১ গুণ বেশি ছিল। খবর ও ছবি নিক্কেই এশিয়া