দীর্ঘদিন ধরে কোস্টারিকার কফি রফতানিতে মন্দা ভাব বজায় রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের নভেম্বরে দেশটি থেকে পানীয় পণ্যটির রফতানি কমেছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩০ শতাংশ। কোস্টারিকা কফি ইনস্টিটিউট (আইসিএএফই) সম্প্রতি এ তথ্য প্রকাশ করেছে। খবর রয়টার্স।
আইসিএএফইর তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বরে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে মোট ১৫ হাজার ৭৯৬ ব্যাগ (প্রতি ব্যাগে ৬০ কেজি) কফি রফতানি হয়েছে। এ নিয়ে টানা ১৩ মাস দেশটির কফি রফতানি নিম্নমুখী রয়েছে।
কোস্টারিকার কফি বাগানগুলোয় ছত্রাকের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। গাছ হত্যাকারী ছত্রাকটির নাম রোয়া। মরচে ফেলে কফি পাতা ক্ষয় করে ফেলছে ছত্রাকটি। ফলে দেশটিতে এ সময়ে পানীয় পণ্যটির উৎপাদন ও রফতানিতে মন্দা ভাব বজায় রয়েছে। এছাড়া কৃষিপণ্যটির উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও প্রতিকূল আবহাওয়াও রফতানি হ্রাসের পেছনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান সিনিয়া সেভেজ বলেন, হেক্টরপ্রতি উৎপাদন কমে আসায় দেশটির কৃষকরা সংকটের মধ্যে রয়েছেন। এছাড়া নতুন গাছ আবাদে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ কমেছে বলে জানান তিনি।
মধ্য আমেরিকার ক্ষুদ্র কফি উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে কোস্টারিকা অন্যতম। তবে উচ্চমানের পণ্য উৎপাদন করায় বিশ্ববাজারে দেশটি বেশ জনপ্রিয়। চলতি মৌসুমের (অক্টোবর-সেপ্টেম্বর) প্রথম দুই মাসে (অক্টোবর-নভেম্বর) দেশটির বাগানগুলো থেকে মোট ২৫ হাজার ৬২৭ ব্যাগ কফি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে, যা আগের মৌসুমের একই সময়ের তুলনায় ৪০ শতাংশ কম।
তবে আইসিএএফই বলছে, চলতি মৌসুম শেষে দেশটির কফি রফতানি আগের মৌসুমের তুলনায় বাড়বে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ মৌসুমে দেশটি থেকে মোট ১৪ লাখ ২০ হাজার ব্যাগ কফি রফতানি হতে পারে; যা আগের মৌসুমের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি।









