২০৩০ সালের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সক্ষমতা ১৪ গিগাওয়াটে উন্নীত হবে। নতুন কিছু উদ্যোগ ও প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে এ সময়সীমার মধ্যে লক্ষ্য অর্জন হবে বলে জানিয়েছে দেশটির জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশমন্ত্রী মরিয়ম আলমেইরি। খবর আরব নিউজ।

সম্প্রতি একটি জ্বালানি সম্মেলনে মরিয়ম আলমেইরি বলেন, বিশ্বে সর্বনিম্ন ব্যয়ের সৌরশক্তির পার্ক এবং প্রথম কার্বন ক্যাপচার ইউটিলাইজেশন ও স্টোরেজ সুবিধার দেশ হলো ইউএই। বর্তমানে এ বার্ষিক ধারণক্ষমতা ৮ থেকে ৫০ লাখ টনে প্রসারিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আরব বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি ৫ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট সম্পন্ন বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেছে। সম্প্রতি এ কেন্দ্রের তৃতীয় চুল্লি চালু হয়েছে।

তিনি বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সম্পূর্ণভাবে চালু হওয়ার পর এটি কার্বনমুক্ত উৎস থেকে দেশের বিদ্যুতের চাহিদার ২৫ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ করতে পারবে। একই সঙ্গে এটি ২ কোটি ১০ লাখ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ হ্রাস করবে, যা প্রতি বছর দেশটি থেকে ৩২ লাখ গাড়ি কমানোর সমতুল্য। ভবিষ্যৎ জ্বালানির মধ্যে অন্যতম হাইড্রোজেন জ্বালানি ব্যবহারের সম্ভাব্যতাও যাচাই করছে দেশটি।

২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামানোর লক্ষ্য রয়েছে ইউএইর। আর এ কারণে পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে পরবর্তী তিন দশকের জন্য ৬০ হাজার কোটি দিরহাম বা ১৬ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে দেশটি। পাশাপাশি ২ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আবুধাবির আল-দাফরা অঞ্চলে বিশ্বের বৃহত্তম সোলার কারখানা তৈরি করছে দেশটির সরকার। একই সঙ্গে দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে ৫ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মোহাম্মদ বিন রশিদ সোলার পার্ক।