২০২০ সালের তুলনায় চলতি বছর আরো বেশি পরিমাণ গম উৎপাদনের পরিকল্পনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদকরা। ১৯১৯ সালের পর থেকে অঞ্চলটিতে সব ধরনের গম উৎপাদনের রেকর্ড হয়। এ ধারাবাহিকতায় বৈশ্বিক গম উৎপাদনের দিক থেকে বর্তমানে চীন, ভারত ও রাশিয়ার পর চতুর্থ অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের। খবর ওয়ার্ল্ডগ্রেইন।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের অধীন এগ্রিকালচারাল আউটলুক ফোরামের বার্ষিক প্রাক্কলন বলছে, চলতি বছর দেশটিতে গম চাষাবাদের সম্ভাব্য মোট জমির পরিমাণ ৪ কোটি ৬৩ হাজার ৫৮ লাখ একর। ২০২০ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ৪৩ লাখ ৪৯ হাজার একর। সে হিসেবে চলতি বছর দেশটিতে গম চাষাবাদ বাড়ছে ৫ শতাংশেরও বেশি।
যদিও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাসে বলা হয়, এ বছর গম চাষাবাদের জমির পরিমাণ দাঁড়াবে ৪ কোটি ৬০ লাখ একর। বরং সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে তা আরো ১ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। তবে সার্বিকভাবে গত পাঁচ বছরের তুলনায় চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রে খাদ্যশস্যটির উৎপাদন ১ শতাংশ কমেছে।
চলতি বছরের বসন্ত মৌসুমে লাল গম ছাড়া অন্যান্য গমের চাষাবাদযোগ্য জমির পরিমাণ প্রাক্কলন করা হয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার একর। সে হিসেবে ২০২০ সালের তুলনায় চাষাবাদ ৪ শতাংশ কমেছে।
অন্যদিকে দেশটিতে সর্বোচ্চ পরিমাণ উৎপাদিত শীতকালীন লাল গম চাষাবাদযোগ্য জমির পরিমাণ বাড়ছে ১১ শতাংশেরও বেশি। ২০২১ সালে ক্যানসাস অঞ্চলে লাল গমের প্রাক্কলিত জমির পরিমাণ ৭৩ লাখ একর।










