দুদিনের ব্যবধানে হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৪ টাকা। বন্দর দিয়ে আমদানি অব্যাহত থাকলেও বৃষ্টিতে সরবরাহ কমায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে পণ্যটির। দুদিন আগেও পেঁয়াজের বিক্রয়মূল্য ছিল কেজিতে ৫৩-৫৪ টাকা। গতকাল পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭-৫৮ টাকায়। দাম বাড়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন বলেন, ‘গত কয়েকদিনের বৃষ্টিপাতের কারণে এরই মধ্যে ভারতের কিছু অঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা খেত থেকে পেঁয়াজ তুলতে পারছেন না। এ কারণে ভারতের মোকামগুলোতে সরবরাহ কমায় পেঁয়াজের দাম আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। বাড়তি দামে পেঁয়াজ আমদানির কারণে দেশের বাজারেও দাম বেড়েছে। এছাড়া বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণও কমে গেছে। এতে সরবরাহ কমেছে। এ কারণেও দাম বেড়েছে।’ আবহাওয়া ভালো হলে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি বাড়লে দামও কমবে বলে জানান তিনি।
বন্দর থেকে পেঁয়াজ কিনে দেশের বিভিন্ন মোকামে সরবরাহ করেন পাইকারি ব্যবসায়ী ইয়াসিন আলী। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, গত সপ্তাহে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছিল। দাম কমায় কম পুঁজিতে বেশি পেঁয়াজ কেনা যাচ্ছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে গত সপ্তাহের শেষের দিকে আবারো পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। গত সপ্তাহে যে পেঁয়াজ আমরা ৫৩-৫৪ টাকা কেজি দরে কিনেছিলাম সেই পেঁয়াজ এখন ৫৭-৫৮ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে। বাড়তি দামের কারণে আমাদের বেশি পুঁজি লাগছে। আবার ক্রেতারাও বেশি দামের কারণে পেঁয়াজ কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ‘বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে আমদানির পরিমাণটা ওঠানামা করছে। কোনোদিন বাড়ছে, আবার কোনোদিন কমছে। অন্য সময়ে দৈনিক ৪০-৫০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হলেও বর্তমানে তা কমে ২৫-৩৫ ট্রাকে নেমেছে।










