দুবাইয়ের আবাসন খাতে গত বছর আর্থিক লেনদেন প্রথমবারের মধ্যে অর্ধ ট্রিলিয়ন দিরহাম বা ১৪ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত হয়েছে। খবর অ্যারাবিয়ান বিজনেস।

২০২২ সালে আবাসন খাতে রেকর্ড ৫২ হাজার ৮০০ কোটি দিরহাম বা ১৪ হাজার ৩৮০ কোটি ডলারের লেনদেন হয়েছে, ২০২১ সালের তুলনায় যা ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।

দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স ও দুবাই এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম বলেন, আবাসন খাতের অসাধারণ কার্যক্রম ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের দূরদৃষ্টির প্রতিফলন। দুবাইকে বিশ্বের শীর্ষ তিন শহরের একটিতে রূপান্তরের রূপকল্প নিয়ে কাজ করছেন তিনি। দেশটির টেকসই উন্নয়ন কৌশলের জন্য এ খাতটি একটি মূল ভিত্তি এবং ২০৪০ আরবান মাস্টার প্ল্যানের মূল চালক।

২০২২ সালে দুবাইয়ের আবাসন খাতে ১ লাখ ২২ হাজার ৬৫৮ লেনদেন রেজিস্টার হয়েছে। যেটা ২০২১ সালের তুলনায় ৪৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। গত বছরও দেখা গেছে ৮০ হাজার ২১৬ জন বিনিয়োগকারী ১ লাখ ১৫ হাজার ১৮৩টি নতুন রিয়াল এস্টেটে বিনিয়োগের জন্য রেজিস্টার করেছে, যার মূল্য দাঁড়ায় ৭ হাজার ২০০ কোটি ডলার। বার্ষিক হিসাবে যেখানে আকারের প্রবৃদ্ধি ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং মূল্যের দিক থেকে প্রবৃদ্ধি ৭৮ দশমিক ৪ শতাংশ।

২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেড়েছে ৫৩ শতাংশ। শেখ হামদান জানান, বিনিয়োগের জন্য দুবাই বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় গন্তব্য। কারণ তাদের অর্থনীতি খুবই স্থিতিশীল ও শক্তিশালী।

২০২২ সালের প্রথম নয় মাসে, এমিরেটসের জিডিপি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৮৪০০ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। খুব সম্প্রতি প্রচলিত অর্থনৈতিক এজেন্ডা ডি৩৩-তে বলা হয়েছে, পরবর্তী ১০ বছরে মোট অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা হবে ৮ লাখ ৭০ হাজার কোটি ডলারের।

দুবাই ভূমি মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক সুলতান বুট্টি বিন মেজরেন বলেন, ‘দুবাই আমিরাতের রিয়েল এস্টেট খাত দেখিয়ে দিয়েছে যে তাদের দ্রুত প্রবৃদ্ধির এ অবস্থানে টিকে থাকার সক্ষমতা আছে। সরকারি ও বেসরকারি স্টেকহোল্ডারদের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে খাতটি ভবিষ্যতে আরো ভালো প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে।’