সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান সিএপিএম কোম্পানি লিমিটেড পরিচালিত সিএপিএম আইবিবিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড ও সিএপিএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানের ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। ফান্ড দুটির ট্রাস্টি কমিটির সভায় এ লভ্যাংশ অনুমোদনও করা হয়েছে। এ দুই ফান্ডেরই ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। পৃথক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যে এ অনুমোদন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সিএপিএম।
সিএপিএম আইবিবিএল: ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত হিসাব বছরে মিউচুয়াল ফান্ডটির নিট মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এ সময়ে ইউনিটপ্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ৫৩ পয়সা। বাজারমূল্যের ভিত্তিতে এ বছরের ৩০ জুন শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিইউ) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৪৩ পয়সায়। ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে যা দাঁড়ায় ১০ টাকা ৮৪ পয়সায়।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ফান্ডটি। আলোচ্য হিসাব বছরে মিউচুয়াল ফান্ডটির ইপিইউ হয়েছিল ৮৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৯ পয়সা। বাজারমূল্যের ভিত্তিতে গত বছরের ৩০ জুন শেষে ফান্ডটির এনএভিপিইউ ছিল ১২ টাকা ৩৯ পয়সায়। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ টাকা ৯৭ পয়সা। এর আগে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য ইউনিটহোল্ডারদের ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ফান্ডটি।
২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া এ ফান্ডটির পরিশোধিত মূলধন ৬৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এর মোট ইউনিটসংখ্যা ৬ কোটি ৬৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে ৬৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩১ দশমিক ৯৬ শতাংশ ইউনিট রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ফান্ডটির ইউনিটের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ১১ টাকা ২০ পয়সা। গত এক বছরে ফান্ডটির ইউনিট ৯ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ১৭ টাকার মধ্যে লেনদেন হয়েছে।
সিএপিএম বিডিবিএল: ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের জন্য ৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে মিউচুয়াল ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ সেপ্টেম্বর। আলোচ্য হিসাব বছরে ফান্ডটির নিট মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। এ সময়ে ফান্ডটির ইপিইউ হয়েছে ৬৩ পয়সা। বাজারমূল্যের ভিত্তিতে গত ৩০ জুন শেষে ফান্ডটির এনএভিপিইউ দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৫৪ পয়সায়। ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে যা দাঁড়ায় ১০ টাকা ৯৬ পয়সায়।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য ৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে মিউচুয়াল ফান্ডটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ফান্ডটির ইপিইউ হয়েছিল ৭৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে এ ইপিইউ হয়েছিল ২ টাকা ৪১ পয়সা। বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ৩০ জুন ২০২২ শেষে ফান্ডটির এনএভিপিইউ দাঁড়িয়েছিল ১২ টাকা ৭১ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১১ টাকা ৮১ পয়সায়। এর আগে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য ইউনিটহোল্ডারদের ১৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় ফান্ডটি।
২০১৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া এ ফান্ডটির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। এর মোট ইউনিটসংখ্যা ৫ কোটি ১ লাখ ৩১ হাজার। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে ১৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৩ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ ইউনিট রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ফান্ডটির ইউনিটের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৯ টাকা ৯০ পয়সা। গত এক বছরে ফান্ডটির ইউনিট ৯ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ১১ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে লেনদেন হয়েছে।










