দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গতকাল এক প্রাথমিক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালে জাপানে জন্ম নেয়া শিশুর সংখ্যা ছিল মাত্র ৭ লাখ ৫ হাজার ৮০৯ জন। খবর নিক্কেই এশিয়া।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এক দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে জাপানের জন্মহার নিম্নমুখী। দেশটিতে জন্মহার কমার ধারা অব্যাহত থাকলেও গত বছরের তুলনায় গতি কিছুটা ধীর হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের প্রাথমিক হিসাবের তুলনায় এবার জন্ম নেয়া শিশুর সংখ্যা ১৫ হাজার ১৭৯ জন কমেছে। ২০২২-২৪ সাল পর্যন্ত জন্মহার হ্রাসের মাত্রা ছিল ৫ শতাংশের ঘরে। তবে ২০২৫ সালে এ হ্রাসের হার কমে ২ দশমিক ১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অঞ্চলভেদে দেখা গেছে, জাপানের অধিকাংশ এলাকায় জন্মহার কমলেও কেবল রাজধানী টোকিও ও ইশিকাওয়া প্রিফেকচারে গত বছরের তুলনায় জন্মসংখ্যা কিছুটা বেড়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, জাপানে দ্রুত কমতে থাকা জন্মহার ঠেকাতে সরকারের বিশাল অংকের বরাদ্দ ও নানা পদক্ষেপ সত্ত্বেও পরিস্থিতির কোনো আশাব্যঞ্জক উন্নতি হচ্ছে না।
নিম্নমুখী জন্মহার নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশটির সরকার বার্ষিক প্রায় ৩ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ইয়েন ব্যয় করছে।
তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন অ্যান্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি রিসার্চের আগের প্রাক্কলনে জাপানের জন্মহার এত দ্রুত কমবে বলে ধারণা করা হয়নি। কিন্তু বাস্তবে জন্মহার পূর্বাভাসের চেয়ে অনেক দ্রুত কমছে। সংস্থাটি যে পরিস্থিতি ১৫ বছর পরে হবে বলে ভেবেছিল, সেটা এখনই দেখা যাচ্ছে।
জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্বীকার করে বলেন, ‘জন্মহার হ্রাসের এ ধারা এখনো থামানো সম্ভব হয়নি। আমরা বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি।’










