সরবরাহ
বাড়ায় দিনাজপুরের হিলিতে আমদানীকৃত আদা ও পেঁয়াজের দাম
কমতে শুরু করেছে। তবে হঠাৎ ঈদের পর থেকে বাড়তির
দিকে রসুনের দাম।
হিলির কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি দোকানেই আমদানীকৃত পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের ভালো সরবরাহ আছে। বাজারে ভারতীয় আদার চেয়ে মিয়ানমারের আদার সরবরাহ বেশি। ঈদের আগে যে আদা ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল, বর্তমানে তা ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমদানীকৃত পেঁয়াজ ৩২ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কোনো দোকানেই দেশীয় পেঁয়াজ চোখে পড়েনি।
অন্যদিকে, ঈদের আগে আমদানীকৃত রসুন ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশীয় রসুন ১৪০ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি বাজারের মসলা বিক্রেতা মশিউর রহমান বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই বাজারে দেশীয় আদার সরবরাহ তেমন নেই। আমদানীকৃত আদা দিয়েই স্থানীয় বাজারে চাহিদা মেটানো হচ্ছিল। ভারতে মূল্যবৃদ্ধি ও বন্দর দিয়ে আমদানি কম হওয়ায় ঈদের আগে আদার দাম বেড়ে গিয়েছিল। বর্তমানে বাড়তি চাহিদার কথা মাথায় রেখে আমদানিকারকরা ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমার থেকেও আদা আমদানি করছেন। ফলে পণ্যটির সরবরাহ বেড়েছে। এতে কেজিতে দাম ১৪০ টাকা কমে গেছে।
ঈদের ছুটির পর বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে সরবরাহ ভালো। যার কারণে আগের চেয়ে ২ টাকা কমে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
তিনি বলেন, তবে রসুনের দামটা বাড়তির দিকে। কারণ দেশীয় রসুনের মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় মোকামে রসুনের দাম বাড়তি। যে রসুন কয়েকদিন আগে ৬ হাজার টাকা মণ কিনলাম, সে রসুন এখন ৭ হাজার টাকা মণ হয়ে গেছে। ১৭৫ টাকা আমাদের কিনতেই পড়ছে। যার কারণে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে আমদানীকৃত রসুনের ওপর চাপ বেড়েছে, কিন্তু সে তুলনায় আমদানি না হওয়ায় এবং সরবরাহ কমায় আমদানীকৃত রসুনের দাম বাড়তির দিকে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক মমতাজ বেগম বলেন, ‘বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রুখতে আমরা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন বাজার মনিটরিং করছি। এ সময় বিক্রেতাদের ক্রয়-বিক্রয়ের মেমো দেখে দামের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখছি। তারা কী দামে কিনছে আর কী দামে বিক্রি করছে তা খতিয়ে দেখছি। যাদের এ বিষয়ে গাফিলতি, তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা করা হচ্ছে।









