চলতি বছর কফি রফতানিতে বড় উল্লম্ফন দেখেছে ভিয়েতনাম। পানীয় পণ্যটির ব্যাপক চাহিদা রফতানি বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া দেশটির শুল্ক বিভাগের পণ্য ছাড়পত্র প্রদান প্রক্রিয়াও রফতানিকারকদের সুবিধা দিয়েছে।
ভিয়েতনামের কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন (এমএআরডি) মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে দেশটি ১৭০ কোটি ডলারের কফি রফতানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি প্রায় ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্য দিয়ে রফতানি তিন বছরের সর্বোচ্চে পৌঁছল।
শুল্ক বিভাগের দেয়া তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ভিয়েতনাম ৫ লাখ ৮১ হাজার ৭০০ টন কফি রফতানি করেছে। রফতানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩০ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানির পরিমাণ ২৮ দশমিক ৩ এবং রফতানি আয় ৬০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে।
প্রথম প্রান্তিকে ভিয়েতনাম সবচেয়ে বেশি কফি রফতানি করে ইউরোপের বাজারে। এ সময় অঞ্চলটিতে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি প্রায় ৯২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। এটি মোট রফতানির ৫৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অথচ গত বছরের একই সময় অঞ্চলটিতে রফতানি বৃদ্ধির হার ছিল ৪০ দশমিক ৭১ শতাংশ।
তবে এশিয়া অঞ্চলে রফতানি কমেছে। গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে ভিয়েতনাম এশিয়ার দেশগুলোয় ৪৫ দশমিক ৬২ শতাংশ কফি রফতানি করেছে। চলতি বছরের একই সময়ে রফতানির হার ৩২ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে এসেছে। অন্যদিকে আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায়ও রফতানি ছিল নিম্নমুখী।










