ভুয়া শেয়ারের দাম দেখিয়ে গত কয়েক বছরে বাজার থেকে বিপুল
টাকা তোলার অভিযোগ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে। তাদের সেই জালিয়াতির খবর ফাঁস করেছে হিনডেনবার্গ
গ্রুপ। তারই জেরে রাতারাতি পতন গৌতম আদানির। গত এক মাসে আদানি গোষ্ঠীর বাজার মূলধন
১৪ হাজার কোটি ডলারের বেশি কমে গেছে। বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনি থেকে নেমে গিয়েছে ৪০
নম্বরে।
পড়ে গিয়েছে আদানির শেয়ারের দাম। এখন ওই ঘাটতি কীভাবে পূরণ
করবে সেই প্রশ্নটাই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে খবর কোনো একটি সংস্থা আদানিকে ৩০০
কোটি ডলার ঋণ দিতে চলেছে। সেই ঋণের পরিমাণ ৫০০ কোটি ডলারও হতে পারে। খবর রয়টার্স।
তবে সেই সংস্থা কারা সেই বিষয়টি খোলাসা করেনি রয়টার্স।
এমনকি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি আদানির কোনো কর্মকর্তা। তবে বিষয়টি শেয়ার হোল্ডারদের জানিয়েও দিয়েছে আদানি
গ্রুপ। গত মঙ্গলবার আদানি গ্রুপ জানিয়েছিল মার্চের শেষপর্যন্তু তারা শেয়ার হোল্ডারদের
৭৯০ মিলিয়ন ডলার ঋণ মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে পেতে বিভিন্ন
কোম্পানির ঋণ পরিশোধ করতে শুরু করেছে আদানি গোষ্ঠীর বিভিন্ন কোম্পানি।
হিনডেনবার্গ প্রতিবেদনের আগে বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকায়
চতুর্থ অবস্থানে ছিলেন আদানি। হিনডেনবার্গ প্রতিবেদনের পর গত এক মাসে তার সম্পদমূল্য
কমেছে প্রায় ৮ হাজার ৭০০ কোটি ডলার।
হিনডেনবার্গের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এক দশক ধরে জালিয়াতির মাধ্যমে শেয়ারের দাম বাড়িয়েছে আদানি গোষ্ঠী। তার ওপর ভর করে গৌতম আদানির সম্পদও ফুলেফেঁপে ওঠে। বিশেষ করে গত দুই বছরে আদানির সম্পদমূল্য বিপুল হারে বেড়েছে।










