ভারতে উৎপাদিত ও দেশটি থেকে রফতানি হওয়া পণ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম আখরোট। দেশটির জলবায়ু ও ভূপ্রকৃতি পণ্যটির উৎপাদনের জন্য বেশ উপযুক্ত। ২০১৯ সাল শেষে ভারতে আখরোটের সমাপনী মজুদ আগের বছরের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর এগ্রিমানি ও ইন্ডিয়া টুডে।
ইউএসডিএর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ইতিহাসে ২০১৬ সালে আখরোটের সমাপনী মজুদ সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছিল। ওই সময় দেশটিতে পণ্যটির মজুদ আগের বছরের তুলনায় ৩৯ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১৭ হাজার ৮০০ টনে উন্নীত হয়।
পরের বছর দেশটিতে আখরোটের সমাপনী মজুদ ২৩ দশমিক ২৬ শতাংশ কমে ১৩ হাজার ৬০০ টনে নেমে আসে। তবে এ মন্দা ভাব ছিল সাময়িক। এক বছরের মাথায় ভারতে আখরোটের সমাপনী মজুদ ফের বেড়ে যায়। ২০১৮ সালে দেশটিতে পণ্যটির সমাপনী মজুদ ১৪ হাজার ৪০০ টনে দাঁড়ায় বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইউএসডিএ, যা আগের বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি।
২০১৯ সাল শেষে ভারতে আখরোটের সমাপনী মজুদ বাড়েওনি, কমেওনি। বরং তা ১৪ হাজার ৪০০ টনে অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ সময় ভারতে সব মিলিয়ে ৩৫ হাজার টন আখরোট উৎপাদন হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেশি। ২০১৮ সালে দেশটিতে ৩৪ হাজার টন আখরোট উৎপাদন হয়েছিল।
এদিকে গত বছর ভারত মোট পাঁচ হাজার টন আখরোট রফতানি করেছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইউএসডিএ, যা আগের বছরের তুলনায় ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। ২০১৮ সালে দেশটি থেকে ৪ হাজার ২০০ টন আখরোট রফতানি হয়েছিল।










