মুড়ি উৎপাদনের জন্য নতুন একটি প্রডাকশন লাইন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেডের পর্ষদ। গাজীপুরের বোকরানে এ নতুন প্রডাকশন লাইনটি স্থাপন করা হবে। আগামী ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ‘ফু-ওয়াং মুড়ি’ বাজারজাত করতে পারবে কোম্পানিটি। এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ফু-ওয়াং ফুডস।
তথ্য অনুসারে, গতকাল ফু-ওয়াং ফুডসের ১৮২তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কোম্পানিটির পর্ষদ ‘ফু-ওয়াং মুড়ি’ নামের এ প্রডাকশন লাইনের মাধ্যমে মুড়ি উৎপাদনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ প্রকল্পের জন্য কোম্পানিটি আনুমানিক ব্যয় নির্ধারণ করেছে ৩০ লাখ টাকা। এখান থেকে প্রতিদিন ১০ টন মুড়ি উৎপাদন সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।
এদিকে গতকাল একই সভায় ফু-ওয়াং ফুডসের পর্ষদ সদ্যসমাপ্ত বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির কর্মক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য নিরীক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান সিরাজ খান বসাক অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ফু-ওয়াং ফুডসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬ পয়সা। সদ্যসমাপ্ত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৭০ পয়সায়।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশের সুপারিশ করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ২৬ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরে যেখানে ইপিএস ছিল ৫ পয়সা। সদ্যসমাপ্ত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩ টাকা ১৮ পয়সায়।









