বছরের শুরু থেকেই তামার বৈশ্বিক উত্তোলনে মন্দা ভাব বজায় রয়েছে। এ বছরের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্যবহারিক ধাতুটির বৈশ্বিক উৎপাদন আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। ইন্টারন্যাশনাল কপার স্টাডি গ্রুপ (আইসিএসজি) সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে। খবর মেটাল মাইনর।
বিশ্বের শীর্ষ তামা উৎপাদনকারী দেশ চিলি। এবার দেশটিতে ব্যবহারিক ধাতুটির উৎপাদন নিম্নমুখী রয়েছে। আইসিএসজির তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে দেশটিতে শিল্প ধাতুটির উৎপাদন কমেছে দশমিক ৩ শতাংশ। নিম্নমানের গ্রেড ও বছরের শুরুর দিকে কিছু জটিলতার কারণে দেশটির কারখানাগুলো থেকে ধাতব পণ্যটির উৎপাদন কমেছে। এদিকে দুই মাস ধরে চিলিতে সরকারবিরোধী আন্দোলন চলছে। প্রথমে মেট্রোর ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। এ পরিস্থিতিতে সরকার বর্ধিত ভাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করে। তবে এ সত্ত্বেও বিক্ষোভ থামেনি। জীবনযাত্রার ব্যয় ও অসাম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আরো জোরদার হয়ে উঠেছে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বছর শেষে চিলিতে পণ্যটির উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় কমবে।
এদিকে বিশ্বের অত্যতম শীর্ষ তামা উৎপাদনকারী দেশ ইন্দোনেশিয়ার উৎপাদন ব্যাপক হারে কমেছে। বছরের তিন প্রান্তিক মিলে দেশটিতে খনিজ পণ্যটির উৎপাদন অর্ধশতাংশ কমেছে। এছাড়া গণপ্রজাতান্ত্রিক কঙ্গো ও জাম্বিয়ার সম্মিলিত উৎপাদন ৩ শতাংশ কমেছে।
বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ তামা উৎপাদনকারী দেশ পেরুর উৎপাদন বেড়েছে। এছাড়া চীন, অস্ট্রেলিয়া, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহারিক ধাতুটির উত্তোলনে চাঙ্গা ভাব বজায় রয়েছে; যা পণ্যটির বৈশ্বিক উৎপাদনকে বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছে।









