চলতি ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্রে চিনি সরবরাহ সংকুচিত থাকবে বলে জানিয়েছে দেশটির কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি পণ্যটির ব্যবহার স্থানীয় মজুদকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্প্রতি ইউএসডিএ ওয়ার্ল্ড এগ্রিকালচারাল সাপ্লাই অ্যান্ড ডিমান্ড এস্টিমেটস শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, মৌসুম শেষে চিনির মজুদ ও ব্যবহারের অনুপাত দাঁড়াবে ১২ দশমিক ৫ শতাংশে। মার্চে দেয়া পূর্বাভাসে এ অনুপাত ১৩ দশমিক ৮ শতাংশে থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।
ইউএসডিএর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২১-২২ মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্রে সব মিলিয়ে ৯৩ লাখ ৯ হাজার টন চিনি উৎপাদন হতে পারে। মার্চে দেয়া পূর্বাভাসের তুলনায় উৎপাদন দশমিক ৮ শতাংশ বা ৭৫ হাজার টন কমবে। এর মধ্যে বিট থেকে উৎপাদিত চিনির পরিমাণ দাঁড়াবে ৫৩ লাখ ৩৮ হাজার ৯৮ টনে, যা আগের পূর্বাভাসের তুলনায় ৫০ হাজার ৬৭০ টন বা দশমিক ৯ শতাংশ কম।
অন্যদিকে আখ থেকে উৎপাদিত চিনির পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৯ কোটি ৭১ হাজার টন, যা আগের পূর্বাভাসের তুলনায় দশমিক ৬ শতাংশ বা ২৫ হাজার টন কম।
চলতি মৌসুমে চিনি আমদানি ১৪ হাজার ৬৬২ টন বেড়ে ৩০ লাখ ৫৮ হাজার টনে উন্নীত হতে পারে বলে জানায় ইউএসডিএ।
মৌসুম শেষে দেশটিতে চিনির মোট সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়াবে ১ কোটি ৪০ লাখ ৭২ হাজার টনে, যা আগের পূর্বাভাসের তুলনায় ৬০ হাজার ৩৪৩ টন কম।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, মৌসুম শেষে চিনির মজুদ ১৫ লাখ ৬৭ হাজার টনে দাঁড়াবে, যা আগের পূর্বাভাসের তুলনায় ১ লাখ ২৫ হাজার টন বা ৭ শতাংশ কম। এছাড়া গত মৌসুমের তুলনায় মজুদ প্রায় ৮ শতাংশ কমবে।










