লম্বা সময় ধরেই ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ খরার সঙ্গে লড়াই করছে আর্জেন্টিনা। এখনো কৃষিপণ্য উৎপাদনে হিমশিম খাচ্ছে লাতিন আমেরিকার এ দেশ। খরার প্রভাবে ২০২২-২৩ মৌসুমে দেশটিতে সয়াবিন উৎপাদন কমার পূর্বাভাস মিলেছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ওয়ার্ল্ড এগ্রিকালচার সাপ্লাই অ্যান্ড ডিমান্ড এস্টিমেটস শীর্ষক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়।

মার্কিন সংস্থাটি আগের মাসের তুলনায় উৎপাদন পূর্বাভাস ৬০ লাখ টন কমিয়েছে। সে হিসাবে মৌসুম শেষে মোট উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ২ কোটি ৭০ লাখ টনে। এ পূর্বাভাস সত্য হলে গত বছরের তুলনায় উৎপাদন ৩৮ শতাংশ কমবে। ওই বছর দেশটিতে ৪ কোটি ৩৯ লাখ টন সয়াবিন উৎপাদন হয়েছিল।

এদিকে উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কায় দেশটিতে সয়াবিন আমদানি বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ইউএসডিএর প্রাক্কলন অনুযায়ী, এ মৌসুমে আমদানির ‍পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৮৩ লাখ টনে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ওই বছর দেশটি ৩৮ লাখ টন সয়াবিন আমদানি করেছিল। আর্জেন্টিনায় এ মৌসুমে সয়াবিন মাড়াই ৩ কোটি ২০ লাখ টনে ঠেকবে। আগের পূর্বাভাসের তুলনায় মাড়াইয়ের পরিমাণ ৩৩ লাখ টন কম ধরা হয়েছে। 

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ২০২২-২৩ মৌসুমে বিশ্বজুড়ে ৩৬ কোটি ৯৬ লাখ টন সয়াবিন উৎপাদন হতে পারে। আগের মাসের তুলনায় উৎপাদন পূর্বাভাস ৫৫ লাখ টন কমানো হয়েছে।