যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে চাহিদা কমে যাওয়ায় গত বছর ওই অঞ্চলে কম রফতানি হয়েছে চীনা পণ্য। একই সময় কভিড-নিয়ন্ত্রণের কারণে সাংহাই ও অন্যান্য শিল্প এলাকা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়। এর মাঝে রফতানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাণিজ্য উদ্বৃত্তে ফুলেফেঁপে উঠেছে চীন।

এপি এক প্রতিবেদনে জানায়, গত বছর ৮৭ হাজার ৭৬০ কোটি ডলার বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত আয় করেছে বেইজিংয়ের।

আজ শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) প্রকাশিত দেশটির শুল্ক তথ্য থেকে দেখা যায় আগের বছরের চেয়ে রফতানি বেড়েছে সাত শতাংশ, আয় হয়েছে ৩.৯৫ ট্রিলিয়ন ডলার। তবে ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে রফতানি বেড়েছিল ২৯ দশমিক ৯ শতাংশ।

২০২২ সালে এক দশমিক এক শতাংশ আমদানি বেড়ে খরচ হয়েছে ২.৭ ট্রিলিয়ন ডলার। যা আগের বছরে ছিল ৩০ দশমিক ১ শতাংশ। এ হিসেবে আমদানি-রফতানি বাড়ার হার কমেছে ও ভোক্তাব্যয় দুর্বল হয়েছে।

ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিশ্বের বড় একটি অংশের সঙ্গে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে চীন। তা সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাণিজ্যে দেশটির উদ্বৃত্ত আগের বছরের তুলনায় রেকর্ড ২৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। যা এ পর্যন্ত অন্য যেকোনো অর্থনীতির চেয়ে সর্বোচ্চ।

এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের শুল্ক সংস্থার মুখপাত্র লু ডালিয়াং বলেন, অনেক সমস্যা ও চ্যালেঞ্জের মুখে চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য এবং রফতানি শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন দেখিয়েছে।