গত বছর দেশটিতে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার কোম্পানি কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়েছে। এ সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। খবর আনাদোলু।

জার্মানির লাইবনিজ সেন্টার ফর ইউরোপিয়ান ইকোনমিক রিসার্চ (জেডইডব্লিউ) ও ঋণমান নির্ধারণী সংস্থা ক্রেডিটরিফর্মের যৌথ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনের লেখক সান্দ্রা গটশাল্ক বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি, চীন থেকে আসা সস্তা পণ্যের প্রতিযোগিতা এবং বিদ্যুৎ ও কর্মী খরচের ঊর্ধ্বগতি এ নেতিবাচক পরিস্থিতির প্রধান কারণ।’

তিনি উল্লেখ করেন, ভালো আর্থিক অবস্থায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দেউলিয়া হওয়ার মতো চরম আর্থিক সংকটে পড়ার আগেই অনেক উদ্যোক্তা স্বেচ্ছায় ব্যবসা বন্ধ করে দিচ্ছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যবসা বন্ধের শীর্ষে রয়েছে দেশটির আতিথেয়তা বা হোটেল-রেস্তোরাঁ খাত। ২০২৫ সালে এ খাতে ব্যবসা বন্ধের হার ১৫ শতাংশ বেড়ে প্রায় ১৫ হাজারে পৌঁছেছে।

পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতে বন্ধ হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ব্যবসা। এর মধ্যে চিকিৎসকদের অবসরে যাওয়া ও যোগ্য উত্তরসূরি না পাওয়ায় চিকিৎসা কেন্দ্র বা ক্লিনিক বন্ধ হওয়ার হার ২৩ শতাংশ বেড়ে সাড়ে ৫ হাজারে দাঁড়িয়েছে।

দেশটির অর্থনীতিবিদরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, আইনি প্রক্রিয়ায় দেউলিয়া ঘোষিত হয়ে ব্যবসা বন্ধ করার ঘটনা মোট পরিমাণের মাত্র ১৩ শতাংশ। বাকি অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই মালিকদের স্বেচ্ছায় নেয়া সিদ্ধান্তে বন্ধ হয়েছে। পরিবারের উদ্যোগে পরিচালিত ব্যবসাগুলোর প্রায় ২৯ শতাংশ বন্ধ হয়েছে বয়স্ক মালিকদের অবসরে যাওয়ার কারণে।