গত ফেব্রুয়ারিতে মিসরের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৯ শতাংশ। জানুয়ারিতে ২৬ দশমিক ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতির পর ফেব্রুয়ারিতে দেশটির মূল্যস্ফীতি পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চে দাঁড়িয়েছে। মিসরের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান সংস্থার বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আহরাম।
গত মাসে খাদ্য ও পানীয়ের দাম বেড়েছে ৬১ দশমিক ৫ শতাংশ। বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ব্যয় ৪০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং রেস্তোরাঁ ও হোটেল ব্যয় ৫০ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া রুটি ও শস্যের দাম ৯ দশমিক ২ শতাংশ, পোলট্রি ও মাংসের দাম ২৯ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সামুদ্রিক খাবারের দাম ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।
কভিড-১৯ মহামারী ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মিসরের অর্থনীতি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের জন্য আমদানিনির্ভর হওয়ায় ভুগছে আরব বিশ্বের দেশটি। ডলারের বিপরীতে মিসরীয় পাউন্ডের বিনিময় মূল্যে পতনের কারণেও দ্রব্যমূল্য বেড়েছে। সর্বশেষ খবরে দেখা গেছে, ডলারের বিপরীতে মিসরীয় পাউন্ডের বিনিময় মূল্য ছিল ৩০ দশমিক ৮৮।
বিশ্বের বৃহত্তম গম আমদানিকারক দেশ মিসর। মূলত রাশিয়া ও ইউক্রেনের বাজার থেকে গম আমদানি করে আসছিল দেশটি। গত বছরে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার প্রভাব এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি মিসরের মতো অর্থনীতি।










