ভারতে আগামী অক্টোবরে নতুন কফি উৎপাদন মৌসুম ২০২৩-২৪ শুরু হতে যাচ্ছে। এ মৌসুমে দেশটিতে ৩ লাখ ৭৪ হাজার টন কফি উৎপাদন হবে বলে আশাবাদী কফি বোর্ড। ২০২২-২৩ মৌসুমে প্রাক্কলিত উৎপাদন ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৫২ হাজার টন। সে হিসেবে উৎপাদন ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়বে। খবর দ্য হিন্দু বিজনেস লাইন।
কফি বোর্ডের প্রত্যাশা, আগামী মৌসুমে দেশটিতে অ্যারাবিকা কফির উৎপাদন লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়বে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ১ লাখ ১৩ হাজার টনে। চলতি মৌসুমে এটির প্রাক্কলিত উৎপাদন ধরা হয়েছে ১ লাখ টন। একইভাবে রোবাস্তা কফি উৎপাদন ২ লাখ ৫২ হাজার থেকে বেড়ে ২ লাখ ৬১ হাজার টনে উন্নীত হবে।
বোর্ডের দেয়া তথ্যমতে, কর্ণাটক, কেরেলা এবং অপ্রথাগত অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্ধ্র প্রদেশ ও ওড়িশায় উৎপাদন ব্যাপক হারে বাড়তে পারে। কর্ণাটকে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয়। ২০২৩-২৪ মৌসুমে দেশটিতে ২ লাখ ৬৬ হাজার টন কফি উৎপাদন হতে পারে।
চলতি মৌসুমে উৎপাদনের পরিমাণ ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৮ হাজার টন। প্রদেশটিতে অ্যারাবিকা কফি উৎপাদন ৭২ হাজার ২০ থেকে বেড়ে ৮১ হাজার ৯৬০ এবং রোবাস্তা কফি উৎপাদন ১ লাখ ৭৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৮৪ হাজার টনে উন্নীত হতে পারে।
কফি বোর্ড জানায়, প্রদেশটির প্রধান প্রধান কফি উৎপাদন অঞ্চলে বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে কফির ফলন ব্যাহত হয়েছে। এর পরও প্রদেশটিতে উৎপাদন বাড়বে বলে আশাবাদী কফি বোর্ড।
অন্যান্য প্রদেশের মধ্যে কেরালায় প্রান্তিকভাবে উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৭২ হাজার ৮২৫ টনে। এ প্রদেশে অ্যারাবিকা কফি উৎপাদন ২ হাজার ৭৫ ও রোবাস্তা কফি উৎপাদন ১ হাজার ৯৭৫ টনে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তামিলনাড়ুতে উৎপাদন ১৮ হাজার ৭০০ থেকে কমে ১৮ হাজার ৪৩৫ টনে নামার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর মধ্যে অ্যারাবিকা কফি উৎপাদন ১৩ হাজার ২৫০ থেকে ১৩ হাজার ৪৫ টনে নামবে। অন্যদিকে রোবাস্তা কফি উৎপাদন ৫ হাজার ৪৫০ থেকে ৫ হাজার ৩৯০ টনে নামতে পারে।
অপ্রচলিত প্রদেশগুলোর মধ্যে অন্ধ্র প্রদেশ ও ওড়িশায় উৎপাদন ব্যাপকভাবে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুই প্রদেশে উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১৫ হাজার ৮৮০ টনে।










