ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্স পিএলসির (আইসিআইসিএল) বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত ইজিএমের মাধ্যমে নতুন নিরীক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্তে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেবে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, পূর্ববর্তী নিরীক্ষকের পদত্যাগের ফলে সৃষ্ট শূন্যপদ পূরণে নতুন নিরীক্ষক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। নিরীক্ষক নিয়োগের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন প্রয়োজন হওয়ায় এ ইজিএম আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারিত ছিল গত ১৫ জানুয়ারি।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৬৩ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ২৪ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে আইসিআইসিএলের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ১২ পয়সায়।

আইসিআইসিএলের সর্বশেষ সিপিএ (দাবি পরিশোধের সক্ষমতা) রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আরগুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড (এসিআরএসএল)।

২০২২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি ৬৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৫ কোটি ৬ লাখ ৫২ হাজার ৭৬৬। এর ৪১ দশমিক ৩০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪ দশমিক ১৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।